কবিতা

কবিতা

শ্রাবণের এক রাতে

শ্রাবণের এক রাতে হাতটা রেখে হাতে প্রীতির ডোরে বলব কথা বন্ধু তোমার সাথে। টিপ টিপা টিপ টিনের চালে পড়বে বৃষ্টি ছন্দ তালে আকুল হবে প্রাণ সেই খুশিতে দুজোড়া চোখ দেখবে খুশির বান।

শ্রাবণের এক রাতে

কবিতা

আমাকে ঘাঁটাঘাঁটি কোরো না

আমাকে ঘাঁটাঘাঁটি কোরো না আমাকে ঘাঁটতে গেলে আঁতকে উঠবে তুমি ভ্যাবাচেকা খাবে, ভিরমি খাবে বেদনার ভাগাড়ে হোঁচট খাবে ধপাস ধপাস।

আমাকে ঘাঁটাঘাঁটি কোরো না

কবিতা

বকুলগন্ধের খোঁজে

বকুলগন্ধ চাই—তীব্র বকুলগন্ধ ব্যাপিত বকুলগন্ধ ছড়িয়ে পড়ুক এ দেয়াল থেকে অন্য দেয়াল পর্যন্ত।

বকুলগন্ধের খোঁজে

কবিতা

কোয়ারেন্টিন পদ্য

এই পদ্যে কান্না জমে আছে এই পদ্যে জমে আছে করোনাভাইরাস। কথা ছিল এই বসন্তে সমুদ্রসৈকতে যাব সকল বাধাবিপত্তি তুচ্ছ করে তোমাকে নিয়ে হবে বৈরাগ্যযাপন। এই মনে অকূল সমুদ্রের ডাক এই দেহে উল্টো স্রোতের ...

কোয়ারেন্টিন পদ্য

কবিতা

তোমায় দেখার ইচ্ছে

রোজ সকালে বকুলতলে যখন রাখি পা ইচ্ছে করে ফুল পাঠিয়ে বলি যে তুই যা। প্রিয়ার কাছে বলবি বকুলতলায় রোজ আমি তারে অহর্নিশি করছি খুবই খোঁজ।

তোমায় দেখার ইচ্ছে

কবিতা

পায়রা নদীর মাঝি

পায়রা নদীর মাঝি আমি, পায়রা নদীর মাঝি নদীর সাথে হাসতে আমি ভরদুপুরে রাজি। নদীর এপার তালতলি ভাই, ওপার চালতাতলি মনের সকল দুঃখ, কষ্ট নদীর কাছে বলি।

পায়রা নদীর মাঝি

কবিতা

অপেক্ষা মাত্র লক্ষ কোটি বছর

ওগো প্রিয়া, আর মাত্র ক’লক্ষ কোটি বছর, প্রসারিত অলিন্দে ছোটে টগবগে খুন, মোহময় দৃষ্টি আরও শাণিত প্রখর।

অপেক্ষা মাত্র লক্ষ কোটি বছর

কবিতা

শ্রাবণের দুপুর

মেঘকুমারী মেঘের ঢাকনা দেয় যে করে উপুড় ছন্দে তালে বৃষ্টি পড়ে যেন টাপুর টুপুর। হাঁস ভিজে যায় ঘাস ভিজে যায় ভিজে বুনো লতা বৃষ্টির জলে ভিজে হাসে গাছ-গাছালির পাতা।

শ্রাবণের দুপুর

কবিতা

নদীমাতৃক দেশ

নদীর ঘাটে নৌকা বাঁধা দেখতে লাগে বেশ নদীর ঢেউয়ে ভেজা যেন আমার বাংলাদেশ। আঁকা-বাঁকা নদীগুলো দেখতে সাপের মতো বাতাস এসে ঢেউয়ের তালে নাচে অবিরত। পদ্ম, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র নদীগুলো বড় নদীর বুকে ...

নদীমাতৃক দেশ

কবিতা

ক্ষণকালের নক্ষত্র

ছাতিম ফুলের গন্ধ নাকে এসে ধাক্কা খায় শ্রাবণের এলোমেলো বাতাসের সাথে ঠিক মনে পড়ে তোমার কথা শ্রাবণের টিপটিপ বারি ঝরা রাতে চলে গেলে অগণিত পাঠককে অশ্রু সিক্ত করে।

ক্ষণকালের নক্ষত্র
আরও