‘স্বরূপে’ রাজধানী
কঠোর বিধিনিষেধের ১১তম দিন আজ সোমবার। তবে রাজধানীর সড়কগুলোর চিত্র দেখে মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক কঠোর বিধিনিষেধ যেন শুধু কাগজে–কলমে সীমিত। একদিকে যেমন বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও রিকশার সংখ্যা; তেমনি বেড়েছে পথচারীদের চলাচল। রাজধানীর মহাখালী, মগবাজার, পল্টন, শাহবাগ ঘুরে দেখা মিলেছে তীব্র যানজটের।
অলিগলিতে উপস্থিতি বেড়েছে। গলির কিছু কিছু দোকানের শাটার অর্ধেক খোলা রেখেও চলছে বেচাবিক্রি।
রোববার থেকে পোশাক কারখানা চালু হওয়ায় বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ গ্রাম থেকে রাজধানীমুখী হয়েছেন। এক দিনের চালু হওয়া গণপরিবহন অনেকেই হাতছাড়া না করে রাজধানীতে ফিরেছেন। যার কারণে সড়কে যান চলাচল এবং মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে।
অফিসগামী পথচারী জানান, ‘আমি বনানীর একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। কঠোর বিধিনিষেধের এত দিন আমাদের অফিস বন্ধ ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে শিল্পকারখানা খোলার সিদ্ধান্ত হওয়ায় ১ আগস্ট থেকে আমাদেরও অফিস করার জন্য জানানো হয়েছে। গণপরিবহন না চলার কারণে আমরাও অনেকটা বিপাকে পড়ে গেছি। রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছাড়া এখন আমাদের বিকল্প পথ নেই। কিন্তু অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে আমাদের।’
দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ১ জুলাই থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এই সাত দিন বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার পরও ভাইরাসটির সংক্রমণ না কমায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশে ফের দফায় দফায় বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়। মাঝে ঈদের কয়েক দিন বিধিনিষেধ শিথিল ছিল। ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এ ঘোষণায় ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে চলমান বিধিনিষেধ।