ঢাকায় ৫০ টাকায় নদীতে রাত্রিবাস
বুড়িগঙ্গার তীরে বাঁধা ভাসমান হোটেলগুলো মূলত পুরোনো লঞ্চ। একসময় এগুলো বিভিন্ন নৌরুটে চলাচল করত। যাত্রীর চাপ আর কর্মীদের হাঁকডাকে মুখর থাকত সারা দিন। বছরের পর বছর ধরে চলতে চলতে একসময় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যাত্রী বহনে আনফিট হওয়ার পরই লঞ্চগুলোর নতুন পরিচয় হয় ‘অস্থায়ী আবাসিক হোটেল’। মিটফোর্ড হাসপাতালের বিপরীতে এমনই একটি ভাসমান হোটেলের একজন ম্যানেজার জানান, সিঙ্গেল সিটের ভাড়া ৫০ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া ১৫০ টাকা।