একে একে নিভিছে দেউটি!

মুস্তাফা মনোয়ার

আমাদের শিক্ষক। প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। শুদ্ধ মানুষ মুস্তাফা মনোয়ার মাঝখানের এই জীবনটুকুর সমাপ্তি টানলেন। বরেণ্য এই শিল্পীর কাছে একাডেমিক্যালি শিল্পের সাবলিমিটি শিখেছি। শিল্পের নন্দনতত্ত্ব, দর্শন ও নৈতিকতা স্যারের মতো করে কে বোঝাতে পারবে আর?

স্যারের পুণ্যস্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, শিল্পশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘ কর্মজীবনে শুধু একজন নন্দিত চিত্রশিল্পী হিসেবেই নন, বরং শিশু-কিশোরদের শিল্পচর্চা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বইয়ের অলংকরণ এবং লোকঐতিহ্যনির্ভর নান্দনিকতার এক অনন্য প্রবক্তা হিসেবে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন তিনি।

রং, রেখা ও কল্পনার জগৎকে তিনি মানুষের জীবনের সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত করেছিলেন, যা বাংলা শিল্পধারায় এক স্বতন্ত্র উত্তরাধিকার হয়ে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে দেশ হারাল এক প্রজ্ঞাবান শিল্পসাধককে, আর শিল্পাঙ্গন হারাল এক আলোকবর্তিকাকে।

নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই–মেইল: [email protected]

তাঁর সৃষ্টিকর্ম, শিল্পদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অবদান আগামী দিনেও বাঙালির শিল্পচেতনাকে পথ দেখাবে। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

আপনার কাছ থেকে পাওয়া মহত্তম সুন্দরের পাঠ

আজীবন মাথায় করে রাখব। সালাম স্যার।

লেখক: মুস্তাফা মনোয়ার স্যারের ছাত্র