এর মানে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিপিএল থেকে। এর পেছনে কিছু বিশেষ কারণ হয়েছে। প্রধানত, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটে বইছে উন্নতির হাওয়া। পাশের দেশ ভারতসহ বিশ্বের বড় বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি সেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে নিজের নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। কিন্তু আমরা নানা অজুহাতে বিপিএলে ডিআরএস মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি রাখতে ব্যর্থ। কিন্তু রাখা হয়েছে এডিআরএস নামে প্রযুক্তির উদ্ভাবন।

আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলোয়াড় ও কোচরা নানা কথা বলছেন। অভিযোগ আছে আরও। যেমন বিদেশি খেলোয়াড়দের অধিক মূল্য দিয়ে কেনা, কিন্তু বাংলাদেশিদের কম মূল্য দেওয়া। রয়েছে দলগুলোর নেট অনুশীলনে সমস্যা, মাঠের স্বল্পতার কারণে এক মাঠে করতে হচ্ছে সব দলের অনুশীলন, যা খেলোয়াড়ের মানসিকতা বড় প্রভাব ফেলছে। সব সমস্যা নিয়ে খেলোয়াড় ও কোচদের মধ্যে রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আর এবারের বিপিএল আসর শুরুর আগে দেশের ক্রিকেটের অন্যতম তারকা সাকিব আল হাসান তো একপ্রকার অভিমান করে বলেই দিয়েছেন, সুযোগ পেলে দুই মাসে বিপিএলের মান বাড়ানো সম্ভব। তাহলে প্রশ্নম বিসিবি কেন পারছে না?

আসা করি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিষয়গুলোয় সুনজর দেবে। আর বিষয়গুলো খুব জটিল কিছু নয়। সামান্য সুনজর আর আন্তরিকতা থাকলে সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব। ক্রিকেটপ্রেমীদের এটুকু চাওয়া বিসিবি চাইলেই পূরণ করতে পারে।
*লেখক: মোহাম্মদ নাদের হোসেন ভূঁইয়া, শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ