পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।
১ / ১০
আমার দেশ সব মানুষের। ট্রেনে আসা যাওয়া করতেই নাজিরহাট কাটিরহাট সরকারহাট স্টেশনে সংগ্রামী এ নারীদের রুটিরুজির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে দেখি। কী অনায়াসে পুরুষদের মতো শারীরিক কসরতে ঘামঝরানো দিন পার করেন। নারীদের আর অবহেলার দিন নেই। দেশকে আগাতে হলে মূল্যায়ন করতে হবে প্রত্যেক পেশাকে। আর ঘৃণা করতে হবে পেশার ভেতরে থাকা অপেশাদার মনমানসিকতাকে, যা পেশার সৌন্দর্য বিনষ্ট করে ক্যানসারে পরিণত হয়। ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম থেকে ছবিটি সম্প্রতি তোলাছবি: সঞ্জয় দেবনাথ
রোদে মাটির পাত্র শুকাতে ব্যস্ত এক মৃৎশিল্পী। ঐতিহ্য ধরে রাখতে চলছে তাঁর নিরলস সংগ্রাম। আড়িয়া বাজার, পালপাড়া, শাহজাহানপুর, বগুড়াছবি: সুমন পাল
৩ / ১০
নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। ছবিটি গাজীপুরের টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকা থেকে সম্প্রতি তোলাছবি: খোরশেদ আলম খোকন
৪ / ১০
একটি ঐতিহ্যবাহী বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ, বাঙালি জাতিসত্তার সঙ্গে জড়িত বিভাগ, যেই বিভাগের পরিচয়ের নেই শেষ—এটিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। বাংলা বিভাগ, কলা ভবন, ঢাবিছবি: রায়হানা তাসনিম নূরি
৫ / ১০
একটি মাছ, একটি সুযোগ, একটি নিখুঁত আঘাত। শিকারের অপেক্ষায় মাছরাঙা পাখিটি। ছবিটি ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের লেকের পাড় থেকে তোলাছবি: হাসান মাহমুদ শুভ
৬ / ১০
মেঘনা নদীর তীরে ক্যাম্প করে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার ব্যস্ত সৌখিন শিকারি। ছবিটি ভোলার চরফ্যাশন থেকে তোলাছবি: সুজন মুন্সী
৭ / ১০
নীরব নদীর বুকে ভেসে থাকা নৌকাগুলো আর অস্তগামী সূর্যের সোনালি আলো মিলিয়ে যেন দিনের সব ক্লান্তি ধুয়ে যায়। আকাশ, জল আর নীরবতার এই মেলবন্ধনে মুহূর্তটা হয়ে ওঠে গভীর শান্তির এক কবিতা। আর সেই নীরবতার মধ্যেই বসে থাকা ছোট্ট এক পাখি, যেন প্রকৃতির গভীর শান্তির এক নিঃশব্দ সাক্ষী। ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়, নরুন্দি বাজার, জামালপুরছবি: আমাতুল্লাহ সাওদা।
৮ / ১০
আষাঢ়ের আকাশ। ঢাকা, মিরপুরছবি: মো. সাকিব উদ্দিন
৯ / ১০
নীল অপরাজিতা। বর্ষার বৃষ্টিস্নাত দিনে এর গাঢ় নীল পাপড়িতে জমে থাকা জলের ফোঁটাগুলো প্রকৃতির এক অকৃত্রিম ও নান্দনিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলেছবি: মো. রায়হানুল হক