পাঠকের ছবি (৪ মার্চ ২০২৬)

পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।

১ / ৯
একটি অপূর্ব মিলনের মুহূর্ত—কচি শিক্ষার্থীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসে আছে, কৃতজ্ঞতা আর হাসিমাখা মুখে ইফতার শুরু করার প্রতীক্ষায়। মহাখালী, ঢাকা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন
২ / ৯
পলাশ ফুল ফুটলেই বোঝা যায়, বসন্ত এসে গেছে। আগুনরাঙা এই ফুল শুকনা ডালকেও রঙে ভরে তোলে, যেন প্রকৃতি নিজেই নতুন করে হাসতে শুরু করেছে। পলাশ মানেই প্রাণের উচ্ছ্বাস আর ঋতুবদলের সুন্দর বার্তা। হাতিরঝিল, ঢাকা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
৩ / ৯
মানুষ দেখার নেশা চিরকালের। সেই নেশার অংশ হিসেবে কড়াইল বস্তিতে ঘোরার ইচ্ছা বহুদিনের। কিন্তু যাওয়া হয়ে ওঠেনি। অবশেষে সরকারি কাজের অংশ হিসেবে গত সোমবার গিয়েছিলাম। বনানী থানার মধ্যে পড়েছে দেশের সবচেয়ে বড় এই বস্তি। নানা অপকর্ম আর কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের আত্মগোপনের স্থান হিসেবেও এই জায়গার নাম শোনা যায়। বউবাজার, জামাইবাজার, মোশাররফ বাজার, মাছের বাজার ইত্যাদি বিশাল একটা অংশ পায়ে হেঁটে ঘুরলাম। কী আশ্চর্য...লেকের ওই পারে উঁচু দালানের আভিজাত্য আর এপারেই দুর্দমনীয় দারিদ্র্যের করাল গ্রাস। মনে পড়ল মানিক বন্দোপাধ্যায়ের সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘ঈশ্বর থাকেন ওই ভদ্রপল্লিতে, এখানে তাহাকে খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না
ছবি: রবিউন নাহার তমা
৪ / ৯
অস্পষ্ট কুয়াশা ভেদ করে আগামীর অন্নের সংস্থান করতে এভাবেই লড়াই চালিয়ে যান আমাদের কৃষকেরা। বড়গোঁজা, সলঙ্গা, সিরাজগঞ্জ, ৪ মার্চ ২০২৬
ছবি: সুমন পাল
৫ / ৯
দুদণ্ড শান্তি পাওয়ার জন্য শহর তো অনেক আগেই নরক বানিয়েছি আমরা। গ্রামও কি নিরাপদ আছে? এ দেশের বড় সম্পদ সোনার মতো মাটি আর চোখ শীতল করা সবুজ স্বর্গেরও তো সর্বনাশের ষোলোকলা পূর্ণ হওয়ার পথে। আরও বড় হতে গিয়ে আমরা কেবলই অনিরাপদ করে চলেছি আবাসস্থল। আরও সুখের জন্য আমরা মানুষের সান্নিধ্য বাদ দিয়ে কী এক মরীচিকার পেছনে দৌড়াচ্ছি। কেবল একা একা বড় হওয়ার দানবীয় দর্শন হরণ করেছে আমাদের মানবিক সত্তাকে। একটু বসে প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক করার সময়ও আমাদের হয় না। চট্টগ্রাম থেকে ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: সঞ্জয় দেবনাথ
৬ / ৯
বাঁশ দিয়ে মাচা বুনন করছেন একজন কারিগর। এ বাঁশের মাচা ব্যবহার করা হবে ইমারত নির্মাণের কাজে। ছবিটি মুন্সিগঞ্জের বেতকা হাট থেকে সম্প্রতি তোলা হয়েছে
ছবি: অলিউর রহমান ফিরোজ
৭ / ৯
ইফতারে মুড়ি না হলে ইফতার জমবে কীভাবে? সেগুনবাগিচা, ঢাকা
ছবি: এস এম এম মুসাব্বির উদ্দিন
৮ / ৯
প্রথমে ভাবছিলাম, শুকরের বাচ্চাগুলো মারামারি করতেছে। পরে বুঝলাম আমার ভুল। ওরা খেলা করতেছিল। বাচ্চারা খেলা করলেও অনেকে মারামারি বলে ভুল করে। চট্টগ্রাম থেকে ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: সঞ্জয় দেবনাথ
৯ / ৯
বসন্তের বিকেল। ময়মনসিংহ সদর এলাকা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: মাইফুল জামান ঝুমু