পাঠকের ছবি (৫ নভেম্বর ২০২৬)

পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।

১ / ৭
জলছবিতে প্রতিফলিত প্রকৃতির সৌন্দর্য। রমনা পার্ক, ঢাকা
ছবি: সানজিহাবিন সাম্মি
২ / ৭
শিউলি ফুলের ঘ্রাণ যেন কেমন কেমন। কড়া ঘ্রাণ। নেশা নেশা। গাছ নাড়া দিলেই টুপটাপ ঝরে পড়ে। হাত ভরে নিলে কী ঘ্রাণ। শিউলি ছেড়ে যাই দোলনচাঁপার কাছে। চোখ বন্ধ করে শুধু ঘ্রাণই নিতে ইচ্ছা হয়। তখনই ছাদের এক কোণে থাকা গাঁদা ফুল তাদের ঘ্রাণ নেওয়ার জন্য ডাক দেয়। কিন্তু দোলনচাঁপায় বুঁদ আমি তখন। আমার খুব ইচ্ছা বিশেষ কয়েকটি বই লেখা। এর আগে আমি নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে গেলে বড় আফসোস থেকে যাবে। বই লেখার পর কিংবা বই লেখার জন্য আমার জীবনাবসান হলেও স্বস্তি পাব। গাছগাছালি আর কিছু মানুষের ভালোবাসা না পেলে অনেক আগেই আমি ধুলোয় মিশে যেতাম। এ ঋণ শোধ হবে না এ জীবনে। চট্টগ্রাম থেকে ছবিটি তোলা
ছবি: সঞ্জয় দেবনাথ
৩ / ৭
প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকা বিলি করতে ভোরবেলায় পত্রিকা প্রস্তুত করছেন হকার মো. রফিকুল ইসলাম। চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ। ৪ নভেম্বর ২০২৬
ছবি: রাজু আহমেদ রকি
৪ / ৭
একমুঠো আশায় নদীর বুকে জাল ফেলা। এভাবেই প্রকৃতি, পরিশ্রম আর জীবিকার মেলবন্ধনে এগিয়ে চলে গ্রামবাংলার জীবন। ছবিটা ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জ থেকে তোলা
ছবি: এনাম এলাহী মল্লিক
৫ / ৭
পাহাড় আর মেঘের মেলবন্ধন। শ্রীপুর চা–বাগান, জাফলং রোড, সিলেট
ছবি: আনোয়ার হোসেন
৬ / ৭
সবুজ পাহাড়ের কোলে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী আর ঘাটে বাঁধা এই রঙিন নৌকাগুলো যেন কোনো এক শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবি। থানচি, বান্দরবান। ছবিটি সম্প্রতি তোলা
ছবি: মো. রায়হানুল হক
৭ / ৭
বন্ধু হারালে, একটি বই ধরো। নীরব বন্ধু নীরবেই পাশে থাকবে, গল্প শোনাবে, সঙ্গ দেবে—কিন্তু কখনো হারিয়ে যাবে না। সূর্যকিরণের সোনালি আলোয় সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ‘আহমাদউল্লাহ স্মৃতি গ্রন্থাগার’ এর করিডর। সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ছবি: সুমাইয়া খাতুন