পাঠকের ছবি

১ / ১৩
ভয় কিংবা আতঙ্ক, যা–ই হোক, তা সভ্যতার মানুষের প্রতি। তবু সে সুন্দর পৃথিবীর মানুষের মধ্যেই বেঁচে থাকতে চায় অনন্তকাল। আর আমরাই সেই আণবিক কিংবা পারমাণবিক শক্তি সঞ্চারিত মানুষ, যারা আদৌ একটি বাসযোগ্য পৃথিবীর ঠিকানার সন্ধান দিতে পারিনি সমাজের এমন অসাহায় প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য। বিরল রোগে আক্রান্ত প্রতিবন্ধী শিশুটির সঙ্গে আমার একবার দেখা হয়েছিল ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভালুকজান গ্রামে। ক্যামেরার লেন্সটা শিশুটির দিকে তাক করতেই লজ্জায় নিজেকে কেমন গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল মুচকি হাসি দিয়ে। অবশেষে ক্লিকটা করেই ফেললাম
ছবি: ইমতিয়াজ আহমেদ
২ / ১৩
এভাবে বাড়ির আশপাশে এসব জিনিস ফেলে চরমভাবে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে। এগুলো সহজে পচে না। পরিবেশদূষণ রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ছবিটি সম্প্রতি বাগেরহাটের কচুয়ার মসনি থেকে তোলা
ছবি: সুকান্ত দাস
৩ / ১৩
দিনের শেষবেলায় কদুর মাচায় বসে বিশ্রাম করছে দোয়েল পাখি। ছবিটি ১৬ জুন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা মিঠাপুর গ্রাম থেকে তোলা
ছবি: মাসুদার রহমান
৪ / ১৩
পড়ন্ত বিকেলে গাভীর জন্য ঘাস কাটছেন দুই ব্যক্তি। পরমেশ্বরদী মাঠ, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, ১৭ জুন।
মো. মীমরাজ হোসেন
৫ / ১৩
জ্যৈষ্ঠ পেরিয়ে আষাঢ় চলে এসেছে। গ্রামের খোলা বাজারে নানা জাতের কলা বিক্রি করছেন প্রান্তিক চাষিরা। ছবিটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার কান্তনগর বাজার থেকে সম্প্রতি তোলা
ছবি: কারিমুল হাসান লিখন
৬ / ১৩
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে করোনার সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। করোনায় আক্রান্তের হার বাড়লেও কেউ মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। মাস্ক ছাড়াই অফিস, হাটবাজার, গণপরিবহনে চলাফেরা করছেন লোকজন। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। ফলে উপজেলায় করোনায় সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ১৭ জুন
ছবি: প্লাবন শুভ
৭ / ১৩
প্রচণ্ড রোদ ও ভ্যাপসা গরমে রাস্তা নির্মাণে একত্রে কাজ করছেন নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা। ছবিটি সম্প্রতি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনবাজার এলাকা থেকে তোলা।
ছবি: মাসুদার রহমান
৮ / ১৩
আষাঢ়ের ঘন কালো মেঘের গর্জন। ছবিটি বরিশাল সদরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক থেকে সম্প্রতি তোলা
ছবি: কামরুল হাসান
৯ / ১৩
কমলাদামা। কমলাবউ, কমলাফুলি ও কমলা দোয়েলও বলা হয়। ফুলতলা, খুলনা, ১৬ জুন।
ছবি: খায়রুল আলম তুহিন
১০ / ১৩
আষা‌ঢ়ের মেঘ সূর্য‌কে বিশ্রাম দি‌লেও বিশ্রাম নেই কৃষ‌কের। খেত থে‌কে বাদাম তু‌লে পা‌নি‌তে ধু‌য়ে কাদা প‌রিষ্কার কর‌ছে কৃষকের ছে‌লেরা। প‌রে আগাছা ছ‌ড়ি‌য়ে রো‌দে শু‌কি‌য়ে নেওয়া হ‌বে বাজা‌রে। আম‌খোলা, গলা‌চিপা, পটুয়াখালী। ছ‌বি‌টি সম্প্রতি‌ তোলা।
ছ‌বি: এ বি আরিফ
১১ / ১৩
রাজশাহী শহরজুড়ে বিরাজ করছে করোনার আতঙ্ক। যেন হুট করে হারিয়ে গেছে মানুষের ব্যস্ততা। নিস্তব্ধ হয়ে গেছে ব্যস্ত শহরের সমস্ত কোলাহল। আজ নেই কোনো কর্মচাঞ্চল্য। ঘাতক করোনা যেন সবকিছুই স্থবির করে দিয়েছে। ছবিটি গত ১৭ জুন রাজশাহীর জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে তোলা।
ছবি: মো. আবদুল হাকিম জুবাইর
১২ / ১৩
বিকেলের শেষ আলোতে গ্রামের মাঠের দৃশ্য। বালিহুদা, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা, ১৬ জুন।
ছবি: মো. শাহিন রেজা
১৩ / ১৩
১৮ জুন বিসিকের নবম গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে। সরকারি তিতুমীর কলেজে এক বেঞ্চে কোনো রুমে ৭ জন, কোনো রুমে ৫ জন, কোনো রুমে ৪ জন বসে পরীক্ষা দিয়েছেন। করোনার সময়ে এই হলো স্বাস্থ্যবিধি। দেখে মনে হবে একজন আরেকজনের গায়ের ওপরে উঠে পড়েছেন। মনে হয়েছে, আমরা ঢাকা শহরের লেগুনায় বসে পরীক্ষা দিচ্ছি।
ছবি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক