সিউলে সাড়ম্বর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫১তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযথ উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫১তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করে। দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজ শনিবার এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এদিন সকালে রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে জাতির জনকের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

জাতির জনক ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আলোচনা পর্বের শুরুতে দূতাবাসের কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের বাণী পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা পর্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

মো. দেলওয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা বীরাঙ্গনাদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন, যাঁদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোয় বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অভিযাত্রা এবং বাংলাদেশের অর্জনসমূহ উপস্থাপন করে তিনি জাতির জনকের সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণ ও বৈষম্যহীন ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।