কানাডার বিমান দুর্ঘটনা: কন্ট্রোল টাওয়ারে কর্মীর স্বল্পতা নিয়ে বিতর্ক

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত লা গার্ডিয়া বিমানবন্দরে এয়ার কানাডার যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হয়েছেন এবং বহু যাত্রী ও বিমানবন্দরের কর্মী আহত হওয়ার ঘটনার পর কিছু বিশ্লেষকের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে—এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারে পর্যাপ্ত জনবল ছিল কি না। দাবি করা হয়, দায়িত্বে থাকা নিয়ন্ত্রকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ছিল এবং একজন কর্মী একাধিক দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরেই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারে ঘাটতির বিষয়টি বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়ে আসছে।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন নিরাপত্তাব্যবস্থার সামগ্রিক চাপের কথাও সামনে আসছে। চলমান প্রশাসনিক অচলাবস্থার কারণে বিমানবন্দর–সংশ্লিষ্ট কিছু সেবায় জনবল–সংকট তৈরি হয়েছে—এমন মন্তব্যও শোনা যায়। বিশেষ করে নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ওপর বাড়তি চাপের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

তবে কর্মী কম থাকার অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনসচিব শন ডাফি বলেন, লা গার্ডিয়া বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে স্বাভাবিক জনবলই দায়িত্বে ছিলেন, ‘মাত্র একজন নিয়ন্ত্রক দায়িত্বে ছিলেন’—এমন দাবি সঠিক নয়। তিনি জানান, টাওয়ারে একাধিক নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং অতিরিক্ত কর্মীরাও প্রশিক্ষণপ্রক্রিয়ায় রয়েছেন।

দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]

এদিকে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। তারা কন্ট্রোল টাওয়ারের যোগাযোগব্যবস্থা, রানওয়ে ক্লিয়ারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট সব কারিগরি তথ্য খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের শেষ তিন মিনিটের অডিও ক্লিপ।

স্বাধীন তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড ঘটনাটির নেতৃত্বে রয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।