ঈদ এসেছে
ফজরের নামাজ পড়ে ভোরের আলো ফুটতেই আমেনা উঠান পরিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে যায় প্রতিদিন। তারপর নিঃশব্দে আরিফের ঘরে বিছানার চাদর টানটান করে বিছিয়ে দিয়ে বালিশ ঠিক করে। সবকিছু এমনভাবে সাজিয়ে রাখে যেন ঠিক আজই দরজা খুলে আরিফ হেসে ‘মা’ বলে ডাকবে। ছয় বছর ধরে এই রুটিন বদলায়নি একটুও। এই অপেক্ষা—সময়ের কাঁটা যেন থেমে আছে, শুধু তার ছেলের ফেরার আশায়।
ঈদের চাঁদ উঠলেই বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে আমেনার। উঠানে সেমাই ভাজতে ভাজতে বারবার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। চাঁদটা যেন তাকে ছেলের কথা মনে করিয়ে দেয় বারবার। আরিফ তার একমাত্র ছেলে, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশে কাজ করে। ফোনের ভিডিও কলে কথা হয়, দেখা হয়—কিন্তু সেই কণ্ঠে ক্লান্তি, দূরত্ব আর চাপা কান্নার গন্ধ লেগে থাকে।
আমেনা প্রতিদিনই আল্লাহর কাছে দোয়া করে—‘এই ঈদে যেন আমার আরিফ ফিরে আসে।’ কিন্তু প্রতিবছরই কোম্পানি ছুটি দেয় না। আমেনা জানে না—কোম্পানি কী, নিয়ম কী? সে শুধু জানে—আরিফ ছয় বছর ধরে ঈদের দিনেও তার পাশে নেই।
প্রতিবেশী রহিমা খালা প্রায়ই এসে বলেন, ‘আমেনা—তোমার আরিফ তো বিদেশে ভালোই আছে। নিয়মিত টাকা পাঠায়, পাকা বাড়ি বানিয়েছো—এত চিন্তা করো কেন?’
আমেনা মৃদু হেসে বলে—‘টাকা দিয়ে কি সব কিছু পাওয়া যায়, খালা? ঈদের দিনটায় তো ঘরটা ফাঁকা লাগে।’
রহিমা খালা দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। ‘এই বছর আসবে তো?’
আমেনা চোখ নামিয়ে বলে—‘আল্লাহর ওপর ভরসা।’
কিন্তু ভরসার নিচে লুকিয়ে থাকে ভয়—যদি এবারেও না আসে? যদি আবার কোম্পানি ছুটি না দেয়? যদি যুদ্ধের খবর সত্যি হয়?
আমেনা রাতে ঘুমাতে গিয়ে ছেলের শৈশবের কথা ভাবে। আরিফ ছোটবেলায় ঈদের সকালে দৌড়ে এসে বলত—‘মা, আমার টুপি কোথায়?’ আমেনা হাসতে হাসতে টুপি পরিয়ে দিত। সেই হাসি এখন আর নেই। শুধু অপেক্ষা।
মরুভূমির শহরে নির্মাণ সাইটে আরিফের দিন কাটে ১২ ঘণ্টার শিফটে। মাথার ওপর তপ্ত রোদ, পায়ের নিচে গরম বালু। কাজের ফাঁকে সে মোবাইল বের করে মায়ের ছবি দেখে। আরিফের সহকর্মীরা—নেপালের সুরেশ, পাকিস্তানের ইমরান, শ্রীলঙ্কার দিনুকা, ইন্ডিয়ার প্রদীপ, চায়নার চেন, ফিলিপিন্সের কার্লোস। সবার বয়স ২২-২৪ বছর। সবাই একই স্বপ্ন নিয়ে এসেছে—পরিবারের মুখে হাসি ফোঁটানো।
ছুটির দিনে দুপুরে বিশ্রামের সময় সুরেশ বলে—‘আরিফ, তুমি তো ছয় বছর দেশে যাওনি। এবার যাবে?’
আরিফ দীর্ঘশ্বাস ফেলে—‘চাইলেই কি আর হয়, ভাই? কোম্পানি ছুটি দেয় না।’
ইমরান বলে—‘এই বছর চেষ্টা করো দেখো—মা তো একজনই।’
আরিফ চুপ করে থাকে। তার চোখে মায়ের মুখ ভাসে—ক্লান্ত চোখ, কিন্তু ছেলের জন্য অগাধ ভালোবাসা।
কোম্পানির নিয়ম অনেক কঠোর। ছুটি চাইলে বলা হয়— ‘প্রজেক্ট চলছে, এখন ছুটি দেওয়া যাবে না।’ চার বছর ধরে একই কথা শুনে আরিফের মন শক্ত হয়ে গিয়েছে। তবু সে আশা ছাড়েনি।
এই বছর সে আগেভাগেই আবেদন করেছে। ম্যানেজারকে বলেছে - ‘স্যার, অনেক বছর হয়েছে দেশে যাইনি। মায়ের শরীর ভালো না। এই ঈদে আমাকে যেতে দিন।’
ম্যানেজার কিছুক্ষণ চুপ থেকে গম্ভীর ভাবে বলেছেন—‘দেখি কী করা যায়। তবে গ্যারান্টি দিতে পারছি না।”
এই ‘গ্যারান্টি দিতে পারছি না’—কথাটাই আরিফের বুকের ওপর পাথরের মতো চেপে বসে রয়েছে গত কয়েক মাস।
হঠাৎ খবর আসে—মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আকাশে যুদ্ধবিমান, সীমান্তে সংঘর্ষ, শহরজুড়ে আতঙ্ক। টিভির পর্দায় আগুনের লেলিহান ছবি, চারদিকে ধোঁয়া, সাইরেনের শব্দ। আরিফের বুক কেঁপে ওঠে—এবারও কি তার ফেরা হবে না?
পরের দিন কোম্পানি ঘোষণা দেয়—‘পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত কেউ দেশ ছাড়তে পারবে না, অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।’
দিনুকা বলে—‘এবার তো আরও কঠিন হলো দেশে ফেরা।’
চেন আর কার্লোস—আরিফের ঘাড়ে হাত রেখে সান্ত্বনা দেয়।
আরিফ যেন তার বাক্শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। মাথা নিচু করে থাকে। তার মনে হয়—মাকে আবার কীভাবে সে বলবে এবারও ঈদে আসতে পারবে না?
ঠিক এমন সময়ে হোয়াটস অ্যাপে আমেনার ফোন। আরিফকে জিজ্ঞাসা করে—‘বাবা, তুই আসবি তো? এ বছর আমার মনটা খুব অস্থির লাগছে।’
আরিফ চুপ করে থাকে। তার গলা শুকিয়ে আসে। সে বলতে পারে না যে—যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট বন্ধ, কোম্পানি অনুমতি দিচ্ছে না। শুধু বলে—‘মা, দোয়া করো।’
আমেনা ফোন রেখে চুপচাপ বসে থাকে। তার মনে হয়—আরিফের কণ্ঠে ভয় আছে। সে জানে—ছেলেরা ভয় পেলে মা’কে বলে না, মাকে কষ্ট দিতে চায় না।
সেই রাতে আমেনা সেজদায় পড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে—‘আল্লাহ, আমার আরিফকে ফিরিয়ে দাও, আর পারছি না।’
আরিফ টিভিতে শোনে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে, বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট একের পর এক বাতিল হচ্ছে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আরিফ। চার বছর ধরে জমে থাকা আশা যেন মুহূর্তেই মরুভূমির ধূলো হয়ে গিয়েছে। রাতে বিছানায় শুয়ে সে মায়ের কথা ভাবছে—মা হয়তো এখন ঈদের কেনাকাটা করছে, হয়তো প্রতিবেশীদের বলছে, ‘আমার ছেলে আসবে এবার।” আর সে? সে তো আটকে আছে হাজার মাইল দূরে, অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।
পরদিন ভোরে আরিফ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যা হয় হবে, সে আবার ম্যানেজারের কাছে যাবে। কাজ শুরু করার আগে ম্যানেজারের অফিসে ঢুকে আরিফ বলে—‘স্যার, আমি জানি পরিস্থিতি খারাপ। কিন্তু আমার মায়ের শরীর ভালো নেই। ছয় বছর ধরে তাঁকে দেখিনি। আমাকে যেতে দিন।’
ম্যানেজার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন—‘তোমার কথা বুঝি, আরিফ। কিন্তু কোম্পানির নিয়ম আছে। তবে যদি তুমি নিজের ঝুঁকিতে যেতে চাও, আমি একটা “নো অবজেকশন লেটার” দিতে পারি।’
আরিফের চোখ ভিজে ওঠে। মায়ের মুখ মনে পড়তেই নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে সে বলে—‘স্যার, আমি জানি ঝুঁকি আছে, কিন্তু আমি যাব। ঝুঁকি আমার।’
‘নো অবজেকশন লেটার’ হাতে পেয়ে আরিফ যেন নতুন জীবন পেয়েছে। কিন্তু তার মনে হয়—সামনে রয়েছে আরও বড় বাধা—ফ্লাইট পাওয়া।
দিনের কাজ শুরু করতে আরিফ দ্রুত নির্মাণ সাইটে ফিরে আসে। উত্তেজনায় ভরা কণ্ঠে সহকর্মীদের জানায়—দেশে যাওয়ার জন্য অনুমতির সংবাদ।
সুরেশ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে—‘তুমি পারবে, ভাই। উপরওয়ালা তোমার সঙ্গে আছেন।’
ইমরান তার হাতে কিছু টাকা গুঁজে দেয়। ‘ভাই, পথে লাগতে পারে। নাও।’
দিনুকা বলে—‘তোমার মা তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। তোমার যাত্রা নিরাপদ হোক।’
প্রদীপ তার গলায় থাকা চেইনে ঝোলানো ছোট, সুন্দর লকেট খুলে, ভেতর থেকে তার মায়ের ছবি বের করে আরিফের হাতে লকেটটি দিয়ে বলে—‘এই লকেট আজ থেকে তোমার। এবারে তুমি তোমার মায়ের ছবি নিয়ে আসবে এবং এই লকেটের ভেতরে সবসময় রাখবে—ঠিক যেমন রেখেছি আমি এত দিন।’
আরিফের চোখে তখন আলো আর অশ্রুর মিশ্র ঝিলিক—এ যেন কোনো যাত্রার শুরুতে পাওয়া আশীর্বাদ।
সহকর্মীদের সমর্থন আরিফের সাহস আরও বাড়িয়ে দেয়। সে মনে মনে বলে, ‘মা—আমি আসছি।’
বেশ কয়েক দিন ধরে গুছিয়ে রাখা লাগেজ, পাসপোর্ট আর ‘নো অবজেকশন লেটার’ হাতে নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছে আরিফ দেখে—হাজার হাজার মানুষের ভিড়। কেউ দেশে ফিরতে চাইছে, কেউ নিরাপদ জায়গায় যেতে চাইছে। ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা শোনা যাচ্ছে বারবার।
মানুষের ভিড়ে দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আরিফ। তার মনে হয়—হয়তো এবারও পারবে না। হয়তো মা আবার একা ঈদ করবে।
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যাত্রী বলেন—‘আজ ফ্লাইট পাওয়া খুব কঠিন। সবাই পালাতে চাইছে।’
আরিফ মাথা নেড়ে বলে—‘আমি পালাতে চাই না। আমি শুধু মায়ের কাছে ফিরতে চাই।’
ঠিক তখনই ঘোষণা আসে—‘বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা’র উদ্দেশ্যে এক বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা হয়েছে। সিট সীমিত।
কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়া হৃৎস্পন্দন নিয়ে, দৌড়ে কাউন্টারে গিয়ে, পাসপোর্ট আর ‘নো অবজেকশন লেটার’ এগিয়ে দিয়ে শঙ্কিত চোখে তাকিয়ে থাকে আরিফ।
কাউন্টারের অফিসার বলেন—‘শেষ সিটটা আছে। আপনি যেতে পারবেন।’
আরিফের চোখ দিয়ে মনের অজান্তে পানি গড়িয়ে পড়ে। সে মনে মনে বলে—‘আলহামদুলিল্লাহ। মা, আমি আসছি।’
প্লেনে উঠেও ভয় কাটেনি আরিফের। যুদ্ধের উত্তেজনা, আকাশে নিষিদ্ধ এলাকা—সব মিলিয়ে যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ। প্লেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে সে ভাবছে—যদি কিছু হয়ে যায়? যদি সে মায়ের কাছে পৌঁছাতে না পারে?
ঠিক তখনই তার মনে পড়ে মায়ের মুখ। মায়ের সেই স্নেহ-মাখা চোখ যেন তাকে বলছে—‘ভয় পাস না, বাবা। আল্লাহ আছেন।’
রানওয়েতে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে প্লেন ধীরে ধীরে আকাশে ডানা মেলেছে। প্লেন ভর্তি যাত্রী, কিন্তু সবাই নিঃশব্দ। যাত্রীরা যে যার মতো নীরব প্রার্থনায়—কেউ মনে মনে দোয়া পড়ছেন, কেউ চোখ বন্ধ করে আছেন। আরিফও চোখ বন্ধ করে ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে ফিসফিস করে বলছে—‘আল্লাহ, আমাদের সবাইকে বাড়ি পৌঁছে দিও।’
পাশের সিটে বসা এক বৃদ্ধ যাত্রী বলেন—‘বাবা, ভয় পেয়ো না। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করবেন।’
আরিফ বলে - “আমার মা অপেক্ষা করছে, চাচা।”
বৃদ্ধ হেসে বলেন—‘তাহলে তুমি অবশ্যই পৌঁছাবে।’
দীর্ঘ যাত্রার পর নিরাপদে প্লেন ঢাকার মাটিকে স্পর্শ করেছে। আরিফের বুকের ভেতরের বাঁধ ভেঙে গিয়ে চোখের পানিতে ভরে উঠেছে। সে জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখে—এটাই তার দেশ, তার আকাশ, তার মাটি।
ঈদের আগের দিনের বিকেল। উঠানজুড়ে সেমাই ভাজার মিষ্টি গন্ধে ব্যস্ত আমেনা। কাঠের চুলার আগুনের ধোঁয়ার মধ্যেও আরিফের কথা ভেবে মনটা আনমনা।
হঠাৎ গেটের বাহিরে শব্দ।
আমেনা থমকে যায়—ভেবেছে, হয়তো কোনো প্রতিবেশী এসেছেন। কিন্তু পরের মুহূর্তেই শোনে সেই কণ্ঠ, সেই ডাক— ‘মা!’
এই ডাক…ছয় বছর ধরে যার প্রতিধ্বনি শুধু মনে বেজেছে, বাস্তবে শোনার অপেক্ষায় দিন গুনেছে। বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে আমেনার।
দৌড়ে গিয়ে গেট খুলতেই দেখে—আরিফ দাঁড়িয়ে। রোদে পোড়া মুখ, ক্লান্ত শরীর, কিন্তু ঠোঁটে সেই হারিয়ে যাওয়া হাসি। যে হাসি আমেনা দেখেনি অনেক দিন।
আমেনা চিৎকার করে ওঠে—‘আরিফ! আমার বাবা!’
ছেলেকে জড়িয়ে ধরে এমন শক্ত করে যেন আর কখনো ছেড়ে দেবে না। চোখের পানি গড়িয়ে পড়ে আরিফের কাঁধে।
আরিফও কাঁদতে কাঁদতে বলে—‘মা…আমি বলেছিলাম, আসব। আল্লাহ আমাকে ফিরিয়ে এনেছেন।’
ঈদের সকালে আরিফ নতুন পাঞ্জাবি পরে আয়নায় তাকায়।
মা এসে তার মাথায় টুপি পরিয়ে দেয়—যেমনটি দিয়েছে ছোটবেলায়।
আরিফের মনে পড়ে—সুরেশ, ইমরান, দিনুকা, প্রদীপ, চেন, কার্লোসের হাসি-মাখা মুখ, আর গম্ভীর চেহারার ম্যানেজারের কথা। তাদের সহানুভূতি ছাড়া সে ফিরতে পারত না। অনেক বছরের অপেক্ষা, ভৌগোলিক দূরত্ব, যুদ্ধের ভয়, অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আরিফের এই ফেরা শুধু একটি বিপৎসংকুল যাত্রা নয়। এটি—এক মায়ের দোয়া, এক ছেলের প্রতিশ্রুতি, সহকর্মীদের বন্ধুত্ব, আর প্রতিবেশীদের ভালোবাসার জয়।
ঈদের নামাজের পরে প্রতিবেশীদের আগমনে বাসার উঠোন ভরে উঠেছে। আগে থেকেই এরকম হবে ভেবে আমেনা - ডেকোরেটর থেকে কিছু চেয়ার ভাড়ায় নিয়ে এসেছে সবার বসার জন্য। আমেনা হাসি মুখে সেমাই, ফিন্নি, পোলাও, কোরমা দিয়ে সবাইকে আপ্যায়ন করে বলছে—‘আজ আমাদের বাসায় ঈদ এসেছে—ঈদ মোবারক।’
(প্রিয় পাঠক/পাঠিকা - আজকের গল্প নিতান্তই কাল্পনিক। বাস্তবের সঙ্গে নামের, চরিত্রের কিংবা ঘটনার মিল নিছক কাকতালীয়।)
মাসুদ পারভেজ, সিডনি
দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]