কানাডার মূলধারার রাজনৈতিক দলের কোনো ইউনিটে এই প্রথম বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের দিয়ে পুরো কমিটি গঠিত হলো। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় কানাডার মূলধারার প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি ইউনিট থাকে। এ ইউনিট রাইডিং অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে পরিচিত। সভাপতি পদে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং ক্রিস ইয়াকাটো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সৈয়দ আমিনুল ইসলাম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে আজিজুর মোল্লা এবং কমিউনিকেশন চেয়ার পদে মোহাম্মদ হানিফ নির্বাচিত হন। এ ছাড়া চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন পলিসি চেয়ার পদে সুমন রায়, সংগঠন ও নির্বাচনী প্রস্তুতি চেয়ার পদে মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, যুব চেয়ার পদে কৌমিতা সাতকুনারাজন ও তহবিল সংগ্রহবিষয়ক চেয়ার ফারহানা খান।

রাইডিং অ্যাসোসিয়েশনের নতুন প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশি কমিউনিটি অন্য সব কমিউনিটির চেয়ে বেশি শক্তিশালী। এটা আবার প্রমাণ হয়েছে। আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, মূলধারার রাজনীতিতে আমাদের বাদ দেওয়ার আর সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশি কানাডীয়রা মূলধারার রাজনীতির প্রতি অধিকতর আগ্রহী হচ্ছে, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। রাইডিং অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লিবারেল সমর্থক ভোট দিয়েছেন এবং নেতৃত্ব নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছেন। নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সব সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্টে লিবারেল পার্টির অবস্থান সুসংহত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। এ জন্য সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।’

সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বর্তমানে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট। কানাডায় আসার আগে তিনি বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও অস্ট্রেলিয়াতে একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ছাড়া ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

*লেখক: মাহমুদা নাসরিন, শিক্ষক ও সমাজকর্মী, টরন্টো, কানাডা। সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও কিং খালেদ বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব