আমি থাকি ইউএসএর ওয়াশিংটন ডিসিতে। এখানে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করার পর এখন অ্যাটর্নি হিসেবে কাজ করি ডিসি কোর্ট আর মেরিল্যান্ড কোর্টে। আরও বিশেষায়িত করলে আমার কাজের ক্ষেত্রটা অভিবাসন। অর্থাৎ ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি বা অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী। সে কারণেই প্রতিবেদনটা দেখার পর থেকে কিছু লিখতে হবে বলে মনে করি। কারণ, এক ইউএসএতেই বৈধভাবে অভিবাসনের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার অনেক সুযোগ আছে। আমার কেন জানি মনে হয়, এর অনেকগুলোই বাংলাদেশের অনেকে জানেন না। এ দেশ ইমিগ্রেশনবান্ধব, তাই প্রতিবছর কতজনকে গ্রিন কার্ড দেওয়া হবে, তা কিন্তু আইন করে নির্ধারণ করা আছে। এখানে সব ধরনের কোটা মিলিয়ে প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ মানুষকে গ্রিন কার্ড দেওয়া হয়। আর আবেদন করেন গড়ে ৬০ লাখ মানুষ।

আরেকটি তথ্য জানিয়ে রাখি। করোনা মহামারি বাস্তবতায় এ গ্রিন কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে যে সংস্থাগুলো কাজ করে, তারাও ব্যাকলগে পড়ে যায়, অর্থাৎ নিয়মিত অফিস করতে না পারা ও লোকবলের অভাবে সময়মতো গ্রিন কার্ড দিতে পারেনি। ফলে ২০২১ সালে যতসংখ্যক গ্রিন কার্ড দেওয়ার কথা ছিল, এর মধ্যে প্রায় দুই লাখ দিতে পারেনি। তাদের ভাষায়, দুই লাখ গ্রিন কার্ড নষ্ট (ওয়েস্টেড) হয়ে যায়।

এখন আসি আপনি যে এ গ্রিন কার্ড পাওয়ার যোগ্য, তা বুঝবেন কীভাবে। খুব সহজ, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) ওয়েবসাইটে গিয়ে ইমিগ্রেশন ভিসা বিভাগে প্রবেশ করলেই বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন। সেখান থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন, আপনি কোন কোটায় ইউএসএতে অভিবাসন গ্রহণ করতে পারবেন। শুরুতে হয়তো মনে হবে, অনেক কিছুই তো মিলছে না বা অনেক যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে, যার বেশির ভাগই আপনার নেই। কিন্তু একটু ভেবে দেখেন, যদি এক বা দুই বছর চেষ্টা করেন, তাহলে এ যোগ্যতার অনেকগুলোই কিন্তু পূরণ করতে পারেন। আপনার প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যে এটিও অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন, একটু একটু করে আপনি অনেক দূর এগিয়ে গেছেন। বিষয়টা সহজ করে বললে, আইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মতো। তখন কেউ যেমন প্রতিদিন পড়াশোনা করেন, ঠিক তেমন। একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করা।
ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি হিসেবে আমি এ বিষয়গুলো নিয়েই কাজ করি। তাই মনে হয়, আমাদের দেশের

অনেক মানুষ উন্নত জীবনযাপনের জন্য বা সন্তানের কথা চিন্তা করে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে চান। তাঁদের অনেকেরই সেই যোগ্যতাও আছে। কিন্তু শুধু সঠিক তথ্য আদান-প্রদানের অভাবে তাঁরা অনেক পিছিয়ে আছেন। বিশেষত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, চীন, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে নেপালের চেয়েও। এটা বললাম অভিজ্ঞতা থেকে, আমার ল ফার্ম প্রতিবছর এ দেশগুলোর যত মানুষের জন্য আবেদন করে থাকে, সে তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ অনেক পিছিয়ে। তা শুধু যে যোগ্যতায় পিছিয়ে থাকার কারণে, তা নয়। আমি নিশ্চিত, তাঁদের চেয়ে যোগ্য মানুষ আমাদের দেশে আছেন। বিষয়টা শুধু তথ্যগুলো তাঁরা জানেন না বা জানার চেষ্টাতেও ঘাটতি আছে।

প্রতিবছর ১ লাখ ৪০ হাজার এমপ্লয়মেন্ট–বেজড গ্রিন কার্ড দেওয়ার আইন আছে

যে কোটায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আবেদন করে বেশি মানুষ গ্রিন কার্ড পান, তা হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট-বেজড বা চাকরিভিত্তিক ভিসা। প্রতিবছর ১ লাখ ৪০ হাজার এমপ্লয়মেন্ট–বেজড গ্রিন কার্ড দেওয়ার আইনই রয়েছে। এমপ্লয়মেন্ট–বেজড বা ইবি সিরিজের এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত ক্যাটাগরি বা ভাগ আছে। আপনাকে জানতে হবে, আপনার জন্য কোন ইবি ক্যাটাগরি প্রযোজ্য।

ধরা যাক ইবি-১–এর কথা। আপনি যদি অসাধারণ দক্ষতাবিশিষ্ট বা নির্দিষ্ট কোনো ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বা জাতীয় পর্যায়ে এক বা একাধিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন বা স্বীকৃতি অর্জন করে থাকেন, তাহলে আপনি ইবি-১ ভিসা পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই দক্ষতা ও স্বীকৃতির বিষয়গুলো প্রমাণ করতে হবে। কদিন আগেই দেশের জনপ্রিয় নায়ক সাকিব খান কিন্তু এই কোটায় গ্রিন কার্ড পেয়েছেন। তার মানে হচ্ছে, আপনি শিক্ষক হন, ব্যবস্থাপক হন, অভিনেতা হন, গায়ক হন, নির্মাতা হন, শিল্পী হন, খেলোয়াড় হন; আন্তর্জাতিক বা জাতীয় পর্যায়ে আপনি যদি পুরস্কার পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি এ কোটায় আবেদন করতে পারবেন। এবং অবশ্যই আপনার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এমন হতে পারে যে আপনি হয়তো কোনো পুরস্কার পাননি, তারপরও আপনি যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন, কিন্তু তা একজন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি আপনার প্রোফাইল বিস্তারিত জেনে বলতে পারবেন। তার মানে হলো আপনার একধরনের সেলিব্রিটি ইমেজ আছে বা আপনার সম্পর্কে দেশের মানুষের আগ্রহ আছে, আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্র অনুযায়ী সরকারি বা বেসরকারি ফোরামে কোনো কিছু বললে তার গুরুত্ব আছে। এমন যদি হয় আপনার কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারের কোনো নীতির পরিবর্তন হয়েছে বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান এমন কিছু করেছে, যা সমাজের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীর উপকারে এসেছে।

তখন আপনি ইবি-১ কোটার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে যোগ্য একজন প্রার্থী। আমার প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর যতজনের জন্য ইবি-১ ভিসার আবেদন করেন, এর মধ্যে অনেক সাংবাদিকও আছেন এবং তাঁদের আবেদন অ্যাপ্রুভডও হয়েছে। মানে হলো, আপনি যে খাতেই কাজ করেন না কেন, আপনি অন্যদের চেয়ে যোগ্যতায় বিশেষ কি না, তার ওপর নির্ভর করে এ ভিসার জন্য আবেদন ও পাওয়ার বিষয়টি। প্রতিবছর ৪০ হাজার ইবি-১ ভিসা দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের জন্য কর্মভিত্তিক এ অভিবাসন কোটায় যত গ্রিন কার্ডের বরাদ্দ আছে, তার বিপরীতে আবেদন পড়ছে কমই।

এবার ইবি-২–এর কথা। কারও যদি শিক্ষাদীক্ষায় ব্যতিক্রমী দক্ষতা বা উচ্চতর ডিগ্রি থাকে, তাহলে তিনি ইবি-২ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েভার। মানে হলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে আপনাকে প্রয়োজন কি না, তা বিবেচনা করা হয় এ কোটায়। অর্থাৎ আপনি যে বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন ও উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন, তার ভবিষ্যৎ যদি যুক্তরাষ্ট্রে ভালো হয় বা মূল্যায়নকারী কর্মকর্তাকে যদি বোঝাতে পারেন যে আপনার দক্ষতা তাঁদের দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে, তাহলে আপনি এ ক্যাটাগরিতে গ্রিন কার্ড পাবেন। আপনি যে এ কোটায় যোগ্য, তা বুঝবেন কী করে? সহজভাবে বললে, এ জন্য আপনার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে আপনার গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশিত হতে হবে। অনেক সময় স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করা থাকলেও আপনি যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খাতে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতাসহ আরও কিছু বিষয় বিবেচনা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীরা এ কোটায় বেশি আবেদন করেন এবং অনুমোদনের হারও ভালো। আবার অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ বা এশিয়ার ভালো বিশ্বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অনেকেই এ কোটায় আবেদন করার পর যথাযথ অনুমোদন নিয়ে গ্রিন কার্ড পেয়েছেন। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কারও আবেদনের ক্ষেত্রে যদি ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েভার না থাকে, তাহলে আবেদনকারীকে অবশ্যই স্পনসরের মাধ্যমে পার্ম লেবার সার্টিফিকেশন নিতে হবে। প্রতিবছর ৪০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী ইবি-২ ভিসা পেতে পারেন।

ইবি-৩ হচ্ছে কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী আবাসন। এ ক্যাটাগরিতে যেকোনো বিষয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মী, প্রফেশনাল বা ‘অন্য’ কর্মীরা এ ভিসা পেতে পারেন। তবে দক্ষতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির অফার লেটার থাকতে হবে। প্রতিবছর ৪০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ইবি-৩ ভিসা প্রদান করা হয় এবং ‘অন্য’ কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার ভিসা বরাদ্দ রয়েছে। ইবি-৩ ক্যাটাগরিতে তিনটি ভিন্ন শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে—প্রফেশনালস, দক্ষ কর্মী ও অন্যান্য কর্মী।

প্রফেশনাল হলেন, যাঁদের ব্যাচেলর ডিগ্রি আছে এবং তাঁরা এমন একটি চাকরিতে যোগ দিচ্ছেন, যেখানে প্রবেশস্তরেই ব্যাচেলর ডিগ্রির প্রয়োজন। দক্ষদের মধ্যে তাঁরা অন্তর্ভুক্ত হবেন, যাঁরা এমন কোনো চাকরিতে যোগ দিচ্ছেন, যেখানে কমপক্ষে দুই বছরের প্রশিক্ষণ অথবা অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। অন্যান্য কর্মী হলেন তাঁরা, যাঁদের দুই বছরের কম প্রশিক্ষণ অথবা অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। সাধারণত যেসব প্রতিষ্ঠানের বড় বড় কারখানা আছে, তারা ইবি-৩ কোটায় অন্যান্য বিভাগের জন্য একবারে ৫০, ১০০ বা আরও বেশিজনের জন্য আবেদন করে থাকে।

ইবি-৪ কোটায় বিশেষ অভিবাসী হিসেবে ধর্মীয় বিষয়াদি বা কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিত্ব বা কর্মীরা ইবি-৪ ক্যাটাগরিতে আবেদন করে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ ও বসবাস করতে পারেন। দেশটির ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট (আইএনএ)’ উল্লেখিত বিষয়গুলোতেই এ কোটায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য এ ভিসা পেয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাটোর সাবেক কর্মী বা ন্যাটোর সাবেক কর্মীর স্বামী বা স্ত্রী, চিকিৎসক, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, ইরাক ও আফগানিস্তানের ভাষা জানেন এবং ইংরেজি অনুবাদ করতে পারেন, এমন ব্যক্তি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বা কর্মী। এই কোটায় আবেদনের জন্য কোনো চাকরির অফার লেটার দরকার হয় না। প্রতিবছর ১০ হাজার ইবি-৪ ভিসা প্রদান করা হয়।

আপনার যদি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মতো অর্থ থাকে, তাহলে আপনি ইবি-৫ ভিসা পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ব্যবসা করতে হবে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্থানভেদে ৮ লাখ থেকে ১০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে হবে এবং কমপক্ষে ১০ জন মার্কিনকে চাকরি দেওয়ার সামর্থ্য থাকতে হবে। প্রতিবছর ১০ হাজার ইবি-৫ ভিসা প্রদান করা হয়। এ ভিসা পেলে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন এবং নিয়মমতো ৪ বছর ৯ মাস পর মার্কিন পার্সপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তবে ওপরের পাঁচ ক্যাটাগরির বাইরেও মার্কিন কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির অফার লেটার পাওয়ার মাধ্যমে আপনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কাজ করা ও বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন। একে বলা হয় এইচ১বি ক্যাটাগরি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রতিষ্ঠানকে আপনাকে সেখানে কাজের সুযোগ দিয়ে অফার লেটার পাঠানোর পাশাপাশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানটিকে ডিপার্টমেন্ট অব লেবারে (ডিওএল) লেবার কন্ডিশন অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে, একই সঙ্গে অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে। তিন বছর পর এ ভিসা নবায়ন করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ৬৫ হাজার এইচ১বি ভিসা দিয়ে থাকে। তবে এ কোটায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অর্জিত স্নাতকোত্তর বা এর চেয়ে অধিক ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত ২০ হাজার ভিসা রয়েছে।

উল্লিখিত বিষয় ছাড়া আরও বেশ কিছু ক্যাটাগরি আছে, যেখানে আইন মেনেই যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ছয় মাসের মধ্যে গ্রিন কার্ড আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্নের বিলও উত্থাপন করা হয়েছে। এ বিল পাস হলে আরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হবে। আমার পরামর্শ থাকবে, বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ সীমিত, এমন কথায় কান দেবেন না। প্রথমে নিজে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ক্যাটাগরি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও খরচাদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিন। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট হতে পারে আপনার পরম বন্ধু। প্রয়োজনে অভিবাসনবিষয়ক অভিজ্ঞ কোনো আইনজীবীর পরামর্শ নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ভুল পরামর্শে আপনি যোগ্য হওয়ার পরও সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। সঙ্গে সময়, শ্রম আর অর্থ তো আছেই। এর চেয়েও বড় কথা, অবৈধভাবে লাখো টাকা খরচ না করে নিজেকে যোগ্য করে তুলুন, যোগাযোগ বাড়ান। দেখবেন এক–দুই বছরের মধ্যে দেশে বসে আবেদন করেই হাতে পেতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড

  • লেখক: রাজু মাহাজন, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল অ্যাটর্নি, রাজু মাহাজন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র