আমাদের বেশি দিন অপেক্ষায় না রেখে যুক্তরাজ্যের সিনে ওয়ার্ল্ড মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা চেইন লন্ডনসহ চারটি শহরে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে এক সপ্তাহের জন্য সিনেমাটি প্রদর্শন শুরু করেছে। গত শনিবার ছুটির দিনে তাই লন্ডনের ইলফোর্ডে হাওয়া সিনেমার অগ্রিম টিকিট কেটে রেখেছিলাম। মেয়েদের ওদের দাদা–দাদুর কাছে রেখে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এক বন্ধু পরিবারের সঙ্গে আমরাও হাওয়ার পালে কয়েক ঘণ্টা সুন্দর কাটিয়ে এলাম।

default-image

গতানুগতিক বাংলা বা হিন্দি সিনেমা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, গভীর সমুদ্রে জেলেদের কঠিন সংগ্রামের এক ছবি ‘হাওয়া’। উত্তাল সমুদ্র আর প্রতিকূল আবহাওয়ায় দেশীয় এক ট্রলারে কয়েক সপ্তাহের মাছ ধরার অভিযানের এ কাহিনি কখনো দর্শককে ঘড়ির দিকে তাকানোর ফুরসত দেয় না। একের পর এক ঘটনায় কাহিনি যত এগিয়ে যেতে থাকে, নিজেকেও তখন চান মাঝির ট্রলারের এক যাত্রী মনে হয়।

নব্বইয়ের দশকে বাংলা সিনেমায় দর্শক ফিরিয়ে এনেছিলেন লেখক ও পরিচালক শ্রদ্ধেয় হুমায়ূন আহমেদ স্যার। ‘হাওয়া’ সিনেমা হিসেবে কত ভালো হয়েছে, তা আমার মতো সাধারণ দর্শকের পক্ষে বলা সম্ভব নয়, তবে বাংলা সিনেমাবিমুখ দর্শককে আবারও সিনেমা হলে নিয়ে যেতে এ সিনেমা পুরোপুরি সফল।

সিনেমা শেষে কথা হয় সিনেমা দেখতে আসা অনেক বাঙালির সঙ্গে। সবাই লন্ডনের সিনেমা হলে নিজ দেশের সিনেমা দেখতে পাওয়ার সুযোগে খুব আনন্দিত। সবারই প্রত্যাশা, এ ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে। বাংলা সিনেমা যেন তার সোনালি অতীত ফিরে পায়।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন