সুইডেনে রমজান: ঐক্য, সহিষ্ণুতা ও মানবিকতার অনবদ্য গল্প

রমজান মাসপ্রতীকী ছবি

বিশ্বের মুসলমানদের এক ঐক্যের সুরে বেঁধে রাখা, এক প্রাণের সংগীত—পবিত্র রমজান মাস। এটি শুধু একটি পবিত্র সময় নয়, এটি মানুষের হৃদয়ের বন্ধন, তাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার গল্প, একটি মানবতার বার্তা। পবিত্র রমজান মাসে আমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শিখি, সহানুভূতি অনুভব করি, দয়া ও সহিষ্ণুতার সুরে পথ চলি। বলছি পবিত্র রমজান মাসের কথা, যেখানে সুইডেনের মতো একটি দেশের প্রতিটি কোণে আমরা নামাজ, রোজা ও হজ পালন করি এক অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে।

সুইডেনের মুসলমানদের জন্য পবিত্র রমজান মাস এক বিশেষ অনুভূতি তৈরি করে। সুইডেনের দীর্ঘ, ঠান্ডা শীতকালীন রাতের পরে যখন এই মহামূল্যবান মাস আসে, তখন দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের জীবনটা যেন এক নতুন রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। সুইডেনের পবিত্র রমজান পালন তাদের ধর্মীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে জীবন যাপন করেন।

রোজা রাখার জন্য সুইডেনে মুসলিমদের ইতিহাস বেশ পুরোনো। সুইডেনে মুসলমানরা প্রথম আসেন ১৯৭০-৮০–এর দশকে, তখন থেকেই রোজা পালনের ঐতিহ্য সুইডেনের মুসলিম সম্প্রদায়ে প্রবৃদ্ধি লাভ করেছে। প্রথম দিকে রোজা পালনকারীদের সংখ্যা ছিল কম, কিন্তু বর্তমানে সুইডেনের বিভিন্ন শহর ও শহরতলিতে রোজা রাখার প্রচলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সুইডেনে রোজা রাখার বিষয়টি একদিকে যেমন ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়, তেমনি দেশটির মুসলমানদের সামাজিকতা ও ঐক্যের প্রতীকও।

এখানে, বিশেষ করে স্টকহোম, গোটেনবর্গ ও মালমো শহরে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র রোজা পালন শুরু করতে গিয়ে নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি মেনে চলতে শুরু করেছেন। সুইডেনের মুসলমানরা ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে রোজা রাখেন, প্রার্থনা করেন এবং দিন শেষে ইফতার করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশটির মূলধারার জনগণের মধ্যে তাদের এই ধর্মীয় চর্চার প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বেড়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে সুইডেনে মুসলমানদের ধর্মীয় জীবন যেন এক নতুন মাত্রা পায়। তাঁরা রোজা রাখার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে মসজিদে উপস্থিত হন এবং সমাজের প্রতি তাঁদের দায়িত্ব ও ধর্মীয় চেতনা নিবেদিতভাবে পালন করেন। সুতরাং রোজা পালন শুধু একটি ধর্মীয় কর্তব্য নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সবার জন্য একত্র হওয়ার, মানবিক সহানুভূতির চর্চা করার এবং প্রতিবেশীর প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করার সুযোগ এনে দেয়।

সুইডেনে গ্রীষ্মকালে রোজা প্রায় ২০ ঘণ্টা চলে, তবে শীতকালে কিছুটা সময় কমে। মুসলিমরা এ সময়ে তাঁদের রোজার সময় নির্ধারণে স্থানীয় মসজিদ বা ইসলামিক সেন্টারগুলোর সহায়তা নিয়ে থাকেন।

রমজান মাসে সুইডেনের মুসলমানদের জীবন ধীরে ধীরে এক বিশেষ গতি পায়। এই মাসে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটে শহরের প্রতিটি কোণে, যেখানে মুসলিমরা একসঙ্গে আসেন তাঁদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন করতে। রোজা রাখার শুরুতে সূর্যোদয়ের আগে সাহ্‌রি খাওয়ার মধ্য দিয়ে দিনের শুরু হয়, যা যেন তাঁদের ঐক্য ও সাধনার একটি প্রতীক। সুইডেনের মুসলিমরা নিয়মিতভাবে সাহ্‌রি খান, তবে খাবারের পরিমাণ সাধারণত সামান্য ও স্বাস্থ্যকর হয়, যাতে দিনভর রোজা রাখতে সুবিধা হয়। সুইডেনে সাহ্‌রির খাবারের মধ্যে বেশি ব্যবহৃত হয় প্রোটিন, শাকসবজি এবং জলীয় পদার্থ, যাতে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি ও পুষ্টি পায়।

সুইডেনে গ্রীষ্মকালে রোজা প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে চলে, তবে শীতকালে কিছুটা সময় কম হয়। সুইডেনের ভৌগোলিক কারণে এখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য খুব বেশি পরিবর্তিত হয়, তাই মুসলিমরা এই সময়ে তাঁদের রোজার সময় নির্ধারণে স্থানীয় মসজিদ বা ইসলামিক সেন্টারগুলোর সহায়তা নিয়ে থাকেন।

প্রবাসে ইফতার

পবিত্র রমজান মাসের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে ইফতার। ইফতার সুইডেনের মুসলমানদের জন্য একটি বৃহত্তম সামাজিক ও ধর্মীয় অভিজ্ঞতা। দিনভর সিয়াম রাখার পর যখন রোজা ভাঙার সময় আসে, তখন সবাই একত্রে ইফতার করে থাকেন। এ সময় সুইডেনের মুসলমানরা সাধারণত খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করেন, যা ইসলামে ঐতিহ্যবাহী রীতি। পরে তাঁরা পানি, রস, ফলমূল, স্যুপ, সালাদ ও মিষ্টান্ন খেয়ে থাকেন। সুইডেনে রোজা ভাঙার এই সময়ের জন্য বিশেষ কিছু স্থান নির্ধারিত থাকে, যেমন মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার এবং স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টারগুলো। সেখানে মুসলমানরা একত্র হয়ে ইফতার করেন এবং একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করেন।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে রোজা রেখে মসজিদে যেতে এবং নামাজ পড়ার প্রচলনও সুইডেনে শক্তিশালী। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে সুইডেনের বিভিন্ন শহরের মসজিদগুলোয় সন্ধ্যায় তারাবিহ নামাজের আয়োজন করা হয়। এই সময় মসজিদগুলোয় মুসলমানরা একত্র হয়ে দীর্ঘ সময় মোনাজাত করেন, যা তাঁদের একত্র হওয়ার অনুভূতি আরও গভীর করে তোলে।

এ ছাড়া সুইডেনে মুসলমানদের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বিভিন্ন সুপারমার্কেট, রেস্টুরেন্ট ও মসজিদগুলোয় হালাল খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। সঠিকভাবে হালাল খাবারের সনদ প্রদান করা হয় এবং হালাল খাদ্য বাজারে পাওয়া যায় সহজেই। সুইডেনে মুসলিমদের জন্য এই খাদ্যব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু এটি তাদের ধর্মীয় বিধি অনুসারে খাবারের নির্বাচন নিশ্চিত করে।

পবিত্র রমজান মাসে শুধু ধর্মীয় কার্যক্রম পালন নয়, সুইডেনের মুসলমানরা সমাজের অসহায় মানুষের সহায়তার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁরা ইফতার আয়োজন করেন, গরিব ও অভাবীদের জন্য খাদ্যের সরবরাহ করেন। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করেন এবং সমাজে সহানুভূতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেন।

এভাবে সুইডেনের মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র রমজান মাসে তাঁদের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক জীবনকে এক অনন্য সৌন্দর্য ও ঐক্যের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যায়। রোজা, সাহ্‌রি, ইফতার, নামাজ ও যাকাত—এসব মিলিয়ে সুইডেনের মুসলমানদের জন্য পবিত্র রমজান মাস শুধু একটি ধর্মীয় আচার-বিচার নয়, বরং এটি এক ঐক্যের উপলক্ষ এবং মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে ওঠে।

পবিত্র রমজান শুধু রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম, দানশীলতা ও মানবিকতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। সুইডেনে বসবাসরত মুসলিমরা এই শিক্ষাকে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে ধারণ করেন এবং এর মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। বিশেষ করে, দান-সদকা ও মানবসেবার দিকটি পবিত্র রমজান মাসে আরও বেশি প্রকট হয়ে ওঠে।

সুইডেনের মুসলিমরা পবিত্র রমজানে দরিদ্রদের জন্য জাকাত ও ফিতরা দেন। এই মাসে বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠন, মসজিদ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইফতারি বিতরণ করে অভাবী মানুষদের মধ্যে; শুধু মুসলমানদের জন্যই নয়, বরং যেকোনো দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্যও এ কাজ চলে। সুইডেনের মতো একটি কল্যাণরাষ্ট্রে এটি হয়তো অতটা জরুরি মনে না–ও হতে পারে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রতিটি সমাজেই কিছু মানুষ থাকে, যারা দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে বা যাদের অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হয়। এই প্রয়াস শুধু দান করা নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবতার বন্ধন দৃঢ় করারও এক উপায়।

পবিত্র রমজানে সুইডেনে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে। বিভিন্ন শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা, মুসলিম নন এমন ব্যক্তিরাও, ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন, মুসলিমদের রোজার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শুভকামনা জানান। সুইডিশ গণমাধ্যমে পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেখানে মুসলমানদের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস এবং সুইডিশ সমাজে তাঁদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।

তবে সুইডেনে মুসলমানদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো হালাল খাদ্যের সহজলভ্যতা। যেহেতু ইসলাম ধর্মে নির্দিষ্ট বিধি অনুসারে খাবার গ্রহণের নিয়ম রয়েছে, তাই সুইডেনে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য হালাল খাবার পাওয়া একসময় বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু অভিবাসী মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুইডেনের বড় শহরগুলোয় হালাল খাদ্যের বাজারও প্রসার লাভ করেছে। স্টকহোম, মালমো, গোটেনবর্গসহ বেশ কিছু শহরে এখন হালাল মাংস বিক্রির দোকান, সুপারমার্কেট ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে, যেখানে নিশ্চিতভাবে ইসলামি বিধান মেনে প্রস্তুত খাবার পাওয়া যায়।

সুইডিশ খাদ্যনিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ হালাল খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে নজরদারি করে এবং পণ্যগুলোর যথাযথ লেবেলিং নিশ্চিত করে, যাতে মুসলিম সম্প্রদায় সচেতনভাবে খাবার বাছাই করতে পারেন। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসের ক্যানটিনগুলোতেও এখন হালাল খাদ্যের বিকল্প রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে মুসলিম শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য সুইডেনে জীবনধারা সহজতর হয়েছে।

পবিত্র রমজানের শেষ অংশ সবচেয়ে আনন্দের পবিত্র ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। সুইডেনে ঈদের দিন মুসলমানরা ভোরে ঘুম থেকে উঠে নতুন পোশাক পরে মসজিদে যান ঈদের নামাজ আদায় করতে। বড় শহরগুলোর মসজিদে হাজার হাজার মুসল্লির সমাগম হয়। যেসব জায়গায় মসজিদের স্থান সীমিত, সেখানে খোলা মাঠ বা বিশেষ আয়োজন করে ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।

ঈদের দিন আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে যাওয়া, মিষ্টান্ন খাওয়া এবং শিশুদের উপহার দেওয়ার রীতি সুইডেনেও বজায় আছে। মুসলিমরা শুধু নিজেদের মধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন না, বরং প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনেক ক্ষেত্রে সুইডিশ বন্ধুরাও মুসলমানদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তাঁদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন, যা সুইডেনের বহুমাত্রিক সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

সুইডেনে পবিত্র রমজান শুধু ধর্মীয় উপাসনার মাস নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া, সামাজিক সংহতি ও সহিষ্ণুতার এক প্রতিচ্ছবি। মুসলমানদের জন্য এটি যেমন আত্মশুদ্ধির একটি সময়, তেমনি এটি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেরও একটি সুযোগ। সুইডেনের মূলধারার সমাজেও এখন পবিত্র রমজানের প্রভাব দেখা যায়, যা দেশটির বহুসংস্কৃতির সংহতি ও গ্রহণযোগ্যতার পরিচয় বহন করে।

পবিত্র রমজান শুধু অতীতের স্মৃতি হয়ে যায় না, বরং এটি হয়ে ওঠে আগামী দিনের অনুপ্রেরণা। আজকের প্রজন্মের জন্য পবিত্র রমজান শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সময়ও। আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক সংযোগের যুগে পবিত্র রমজান আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহিষ্ণুতা ও দয়া শেখায়। তরুণদের জন্য এটি একটি সুযোগ, যাতে তাঁরা ধর্মীয় দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধগুলো গভীরভাবে ধারণ করতে পারেন। সমাজে সদিচ্ছা, শারীরিক সুস্থতা এবং সচেতন জীবনযাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম পবিত্র রমজানকে শুধু আত্মশুদ্ধির সময় হিসেবে নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে পারে। রমজান শেষ হয়, কিন্তু এর শিক্ষা রয়ে যায়—সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার আলো জ্বালিয়ে। সুইডেনে বসবাসরত মুসলমানরা এ শিক্ষাকে তাঁদের জীবনে ধারণ করেন এবং তা দিয়ে একটি উন্নততর সমাজ গঠনে অবদান রাখেন। পবিত্র রমজান তাই শুধু অতীতের স্মৃতি হয়ে যায় না, বরং এটি হয়ে ওঠে আগামী দিনের অনুপ্রেরণা, যা মানুষকে আরও ভালোবাসতে শেখায়, আরও সহানুভূতিশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে।

‘দূর পরবাস’-এ জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]