স্বাগত বক্তব্যে কনসাল জেনারেল নূরে-আলম বলেন, এক দশকের অধিক সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। এমনকি করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ তার ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছ, যা একটি দৃঢ় ও সহনশীল অর্থনীতির নির্দেশক। বিদেশি বিনিয়োগের অমিত সম্ভাবনা ও সীমাহীন সুযোগের নাম বাংলাদেশ। ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশীয় বাজার, জনগণের ক্রমবর্ধমান ক্রয়ক্ষমতা, প্রতিযোগিতামূলক মজুরি, উদ্যমী, তরুণ ও দক্ষ জনসম্পদ, বৃহৎ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ভৌগোলিক অবস্থান এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

default-image

রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নান বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক, রাজনৈতিক বোঝাপড়া, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের অমিত সুযোগ ও সম্ভাবনা অন্বেষণ করার জন্য তুর্কি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান।

সিরাজুল ইসলাম সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, যেখানে বিনিয়োগের পরিবেশ ও বিনিয়োগ সক্ষমতার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। তৈরি পোশাক, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও চিকিৎসাসরঞ্জাম, অটোমোবাইল ও অটোপার্টস, জাহাজ নির্মাণশিল্পসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে, যেমন পূর্ণমালিকানা, ট্যাক্স হলিডে, শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধাসহ আর্থিক ও অ-আর্থিক প্রণোদনা সম্পর্কে উপস্থিত তুর্কি বিনিয়োগকারীদের অবহিত করেন। তিনি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কার-সাফল্য উপস্থিত অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন।

বিডার মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মাদ মাহবুবের সঞ্চালনায় তুর্কি-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিদায়েত ওনুর ওজদেন, এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট জসিম উদ্দিন, আর্চেলিক গ্রুপের প্রধান কমার্শিয়াল কর্মকর্তা সেমাল চ্যান ডিনসার, আইগ্যাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোখান তেজেল এবং আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ জোনের নির্বাহী পরিচালক আহসান কবির একটি প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন