ছবি: দূতাবাসের সৌজন্য

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস অবিচ্ছেদ্য বলে মন্তব্য করেন জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান। গতকাল সোমবার ওয়েবিনার আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটির পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যুগ্মভাবে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা, জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ছবি: দূতাবাসের সৌজন্য

অনুষ্ঠানে মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার দীর্ঘ আন্দোলনের মূল সূতিকাগার হলো ভাষা আন্দোলন। তাই শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজও বাংলাদেশের মানুষের সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক ঐক্যের অনুপ্রেরণার উৎস।

ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জেনেভায় নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ইন্দ্র মনি পান্ডে, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার উপমহাসচিব ম্যালকম জনসন, ইউনেস্কোর সহকারী মহাপরিচালক ড. তৌফিক জেলাসি, আদিবাসীদের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপর্টিয়ার ফ্রান্সিসকো ক্যালি জ্যায়, মরক্কোর শিক্ষাবিদ ড. ফাতিমা সাদিকি ও উগান্ডার সুশীল সমাজের সদস্য মার্গারেটা লোকাউয়া। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ে ১৯৫২ সালে বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তাঁরা ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকালে জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কনফারেন্স হলে আরেকটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি