ঢাকায় ‘নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’-এর যাত্রা শুরু
জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইয়ুথনেট গ্লোবালের যৌথ উদ্যোগে তিন বছর মেয়াদি ‘নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আয়োজকেরা জানান, সদ্য স্নাতকদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, সততা, দায়িত্ববোধ ও বহুমুখী দক্ষতায় গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। ৩ বছরে ৪টি ব্যাচে মোট ৮০ জন ফেলো এতে অংশ নেবেন। প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ ছয় মাস। প্রথম তিন মাসে থাকবে পাঠদান, মেন্টরশিপ ও দলগত প্রকল্প; পরের তিন মাসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ বা কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।
সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে কর্মসূচিটি পরিচালিত হবে। একাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ।
‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড’-এর আওতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে অর্থায়ন করছে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনায় নতুন গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মক্ষেত্রে প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইয়ুথনেট গ্লোবালের এক্সিকিউটিভ কো–অর্ডিনেটর সোহানুর রহমান বলেন, তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা, নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য।
জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক করভি রাকসান্দ বলেন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তরুণ ফেলোদের ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করতে সহায়তা করবে।