ডলারের একক আধিপত্য থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ: বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি টাকার নতুন সম্ভাবনা

টাকাপ্রতীকী ছবি

বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের প্রভাব দীর্ঘদিনের। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, জ্বালানি কেনাবেচা, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় ডলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিনিময়মূল্য বৃদ্ধি কিংবা সরবরাহে সংকট দেখা দিলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে।

কিন্তু পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অনেক দেশই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিজস্ব মুদ্রা কিংবা অংশীদার দেশের মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ খুঁজছে। এর উদ্দেশ্য ডলারকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া নয়; বরং বৈদেশিক লেনদেনে একক মুদ্রার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বাংলাদেশের জন্যও এই উদ্যোগ হতে পারে বৈদেশিক বাণিজ্যের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানো এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

ডলারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কেন উদ্বেগের

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি তৈরি পোশাক রপ্তানি, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। অন্যদিকে জ্বালানি, শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়।

নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]

আমদানি ও রপ্তানির অধিকাংশ লেনদেন ডলারে সম্পন্ন হলে দেশের ব্যবসায়ীদের ডলারের সরবরাহ ও বিনিময় হারের পরিবর্তনের প্রতি সংবেদনশীল থাকতে হয়। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ঘটলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে উৎপাদন খরচ, পরিবহন ব্যয়, পণ্যের বাজারদর এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর।

এ ছাড়া আমদানিকারকদের ডলার সংগ্রহে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় লাগলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়লে ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যৎ ব্যয় নির্ধারণেও সমস্যায় পড়েন।

তবে মনে রাখতে হবে, ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো মানেই টাকার বিনিময়মূল্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যাওয়া নয়। বরং এর মূল লক্ষ্য হলো বৈদেশিক লেনদেনের বিকল্প পথ তৈরি করা, অপ্রয়োজনীয় মুদ্রা রূপান্তরের ব্যয় কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা।

স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য কীভাবে কাজ করতে পারে

ধরা যাক, বাংলাদেশ কোনো দেশের কাছ থেকে পণ্য আমদানি করছে এবং একই দেশের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যও বিক্রি হচ্ছে। প্রচলিত ব্যবস্থায় উভয় পক্ষকে আলাদাভাবে ডলার সংগ্রহ করে লেনদেন করতে হতে পারে।

কিন্তু দুই দেশের ব্যাংকিং কর্তৃপক্ষ ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকলে নির্দিষ্ট শর্তে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন করা সম্ভব। এতে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের সব ক্ষেত্রে ডলার কেনার প্রয়োজন না-ও হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের সুযোগ সম্প্রসারিত হলে নির্দিষ্ট লেনদেনে বাংলাদেশি টাকা ও ভারতীয় রুপি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থার কার্যকারিতা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট চুক্তি, ব্যাংকিং অবকাঠামো, অনুমোদিত লেনদেনের ধরন এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের গ্রহণযোগ্যতার ওপর।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন হলেও সব ধরনের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় না। কোনো দেশ থেকে আমদানি বেশি হলে এবং সেই দেশে রপ্তানি তুলনামূলক কম হলে স্থানীয় মুদ্রার মাধ্যমে লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

অতএব স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য সফল করতে আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য, অর্থ প্রদানের নিষ্পত্তি এবং দুই দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার ক্ষেত্র কোথায়

বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের সম্ভাবনা যাচাই করা যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশের সঙ্গে নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি হয়, সেসব দেশের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।

প্রথমত, আঞ্চলিক বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়লে নির্দিষ্ট লেনদেনে ডলার কেনাবেচার প্রয়োজন কমতে পারে। ফলে মুদ্রা রূপান্তরের কিছু ব্যয় সাশ্রয় হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ গ্রহণের সুযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট বাজারে ব্যবসা পরিচালনার নতুন পথ পেতে পারেন। তবে রপ্তানিকারককে সেই মুদ্রা দেশে ব্যবহার, অন্য মুদ্রায় রূপান্তর কিংবা বৈধভাবে প্রত্যাবাসনের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

তৃতীয়ত, আমদানিকারকদের জন্য অর্থ পরিশোধের বিকল্প তৈরি হলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অতিরিক্ত চাপের কিছুটা প্রশমন ঘটতে পারে। বিশেষত যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য নিয়মিত এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, সেখানে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবসম্মত হতে পারে।

চতুর্থত, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক পেমেন্ট ব্যবস্থা, ব্যাংকিং সহযোগিতা এবং সীমান্তপারের বাণিজ্য সহজীকরণে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে এসব সুবিধা নিশ্চিত নয়। প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে লেনদেনের পরিমাণ, বিনিময় হার নির্ধারণের পদ্ধতি, ব্যাংকিং ফি, মুদ্রার তারল্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: টাকার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

বাংলাদেশি টাকার ব্যবহার বাড়ানোর পথে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, বিদেশি ব্যবসায়ীরা কতটা আগ্রহ নিয়ে টাকা গ্রহণ করবেন?

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার স্থিতিশীলতা, সহজে অন্য মুদ্রায় রূপান্তরের সুযোগ, আর্থিক বাজারের গভীরতা, আইনি নিশ্চয়তা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনীতির প্রতি আস্থার ওপর।

বাংলাদেশি টাকা যদি কোনো অংশীদার দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, কিন্তু তাঁরা সেই টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে না পারেন কিংবা সহজে অন্য মুদ্রায় রূপান্তর করতে না পারেন, তাহলে তাঁরা স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ গ্রহণে অনাগ্রহী হতে পারেন।

একইভাবে টাকার বিনিময় হারে বড় ধরনের ওঠানামার আশঙ্কা থাকলে বিদেশি ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত ঝুঁকি বিবেচনায় নিতে পারেন। সেই ঝুঁকি কমাতে ব্যাংকগুলোকে স্বচ্ছ বিনিময় হার, কার্যকর নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য বাড়ানো এবং বাংলাদেশি টাকাকে আন্তর্জাতিক রিজার্ভ মুদ্রায় পরিণত করা এক বিষয় নয়। প্রথমটি নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক চুক্তি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্ভব হতে পারে। দ্বিতীয়টির জন্য আরও বিস্তৃত আন্তর্জাতিক আস্থা, গভীর আর্থিক বাজার এবং দীর্ঘমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের করণীয়

স্থানীয় মুদ্রায় বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রথমত, যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য, সেসব দেশের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে। কোন পণ্য, কোন ব্যাংক এবং কী ধরনের নিষ্পত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেন করা যাবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচিত কয়েকটি খাতে পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করে এর ব্যয়, সময়, ঝুঁকি এবং প্রকৃত সুবিধা মূল্যায়ন করা যেতে পারে। সফল হলে ধাপে ধাপে এর পরিধি বাড়ানো সম্ভব।

তৃতীয়ত, ব্যাংকগুলোর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য সহজবোধ্য নির্দেশনা এবং কার্যকর অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাও প্রয়োজন।

চতুর্থত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, ব্যাংক খাতের সুশাসন এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের মতো মৌলিক অর্থনৈতিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ, একটি দেশের মুদ্রার প্রতি আস্থা শেষ পর্যন্ত তার অর্থনীতির সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ডলারের বিকল্প নয়, বহুমুখী বাণিজ্যব্যবস্থাই লক্ষ্য

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত কৌশল হবে ডলারের ব্যবহার এক ধাক্কায় বন্ধ করার চেষ্টা না করে বৈদেশিক লেনদেনের বিকল্প বাড়ানো। যেসব লেনদেনে স্থানীয় মুদ্রা ব্যবহার করলে প্রকৃত ব্যয় সাশ্রয় হয়, সেগুলোকে উৎসাহিত করা যেতে পারে। অন্যদিকে যেসব লেনদেনে ডলার ব্যবহারে বেশি তারল্য, স্বচ্ছতা ও সুবিধা পাওয়া যায়, সেখানে প্রচলিত ব্যবস্থাও প্রয়োজন অনুযায়ী বজায় রাখতে হবে।

একই সঙ্গে ইউরো, ইউয়ানসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক মুদ্রায় লেনদেনের সুযোগ এবং অংশীদার দেশের সঙ্গে কার্যকর ব্যাংকিং সহযোগিতাও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। তবে একাধিক মুদ্রা ব্যবহারের ফলে নতুন বিনিময় হার ও নিষ্পত্তিজনিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য যেন শুধু নীতিগত ঘোষণা বা প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থাকে। ব্যবসায়ীরা যদি বাস্তবে কম খরচে, নিরাপদে এবং সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে পারেন, তাহলেই এ উদ্যোগ সফল হবে।

উপসংহার: সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি টাকার ব্যবহার সম্প্রসারণ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট লেনদেনে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো, মুদ্রা রূপান্তরের ব্যয় সাশ্রয় এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে এই উদ্যোগ বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের একমাত্র সমাধান নয়। দেশের রপ্তানি আয় বাড়ানো, প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে আনা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, আমদানির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।

বাংলাদেশের সামনে এখন মূল প্রশ্ন, স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কীভাবে কার্যকর অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তর করা যায়। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছ নীতিমালা এবং শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটাতে পারলে বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

লক্ষ্য ডলারকে বাদ দেওয়া নয়; লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এমনভাবে শক্তিশালী করা, যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেশটি আরও বেশি বিকল্প, স্থিতিশীলতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে।

  • লেখক: মাহমুদুল হাসান এফসিসিএ, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার, অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা