default-image

মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খায়রুন নাহার ২০১৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেয়েছেন। সহকারী শিক্ষক হিসেবে তিনি এ পদক পেলেন। খায়রুন নাহার শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। একসঙ্গে ফ্যামিলি স্কিলস প্রোগ্রামের প্রশিক্ষণ এবং পাইলটিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুবাদে আমার সুযোগ হয়েছে গুণী এ মানুষের সংস্পর্শে আসার।

পেশাগত কাজে খায়রুন নাহারের দায়িত্ব বোধ, আগ্রহ ও উদ্দীপনা অনুসরণীয়। অসম্ভব মেধাবী ও পরিশ্রমী খায়রুন নাহার দীর্ঘ ১৯ বছরের কর্মজীবনে শিক্ষকতা করেছেন বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। প্রতিটি কর্মস্থলেই তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ সন্তানের মতো যত্ন নিয়েছেন। তাই অভিভাবকদের কাছেও তিনি এক আস্থা ও ভালোবাসার নাম। শ্রেণি পাঠদান এবং নিয়মিত কার্যক্রমে আন্তরিক অংশগ্রহণের পাশাপাশি শিশুদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সদা সচেষ্ট থাকেন। মমতাময়ী এ শিক্ষক বর্তমান বিদ্যালয়ের দুজন মাতৃহীন শিশুকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন, করছেন প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবছর চারজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে স্কুল ইউনিফর্ম প্রদান করেন তিনি। এ ছাড়া তিনি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সাধ্যমতো শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহায়তা করে থাকেন।

default-image

নিজ উদ্যোগে পথশিশুদের স্কুলগামী করে প্রশংসিত হয়েছেন খায়রুন নাহার। মিরপুর মাজার এলাকা থেকে কয়েকজন নেশাগ্রস্ত ছিন্নমূল শিশুকে নিজ উদ্যোগে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনেছেন মানবিক শিক্ষক খায়রুন নাহার। নিজের সংগীত প্রতিভাকে বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। ২০০১ সালে পটুয়াখালীর অখ্যাত অজপাড়াগাঁয়ের শিক্ষক খায়রুন নাহার তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশসেরা শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এটি নিঃসন্দেহে অন্যদের ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

মন্তব্য পড়ুন 0