default-image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (জেএনইউডিএস) আয়োজিত ১৫তম আন্তবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাব। ফাইনালে লোকপ্রশাসন বিভাগের বিতর্ক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাব। চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন সোহেল রানা, মুনিয়া আক্তার ও মোসাররাত তাসমিয়া রহীম। ২ নভেম্বর অনলাইনে জুম অ্যাপে প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।

‘যুক্তির সমরে মুক্তির মিছিল’ স্লোগান নিয়ে  করোনা মহামারির সময়ে অনলাইনে গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২টি বিভাগের ৩৪টি টিম এবং ১০২ জন বিতার্কিক অংশগ্রহণ করেন। ৩০ অক্টোবর গ্রুপ রাউন্ডের বিতর্ক এবং ৩১ অক্টোবর কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়ে ২ নভেম্বর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান।

বিজ্ঞাপন
default-image

ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের ক্লাবের একটি টিম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—এটি খুবই আনন্দের বিষয়‌। আমি ক্লাবের পক্ষ থেকে তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। “মুক্ত চিন্তার উন্মেষ ঘটুক বিতর্কে” স্লোগানকে ধারণ করে আমাদের ক্লাব সামনে এগিয়ে যাবে—এ কামনাই করছি।’

ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিতার্কিকেরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য ও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছে বিভিন্ন সময়ে। বিতার্কিকেরা বিভিন্ন পর্যায়ে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্যায়ে অংশগ্রহণ করলেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল এই প্রথম। এই বিজয়ে আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। আমাদের বিতার্কিকেরা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হবে—এই আশা রাখি।’

বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন এক শুভেচ্ছাবার্তায় বলেন, ‘১৫তম আন্তবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন দল ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যেই ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বনামধন্য বিভাগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গে সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিতর্ক, খেলাধুলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আমাদের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। আর্থিক সংকটসহ নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিভাগের পক্ষ থেকে এসব কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা হয় ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা সাফল্য ও কৃতিত্বের সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে এবং ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতায় উত্তরোত্তর অগ্রগতি বয়ে আনবে বলে আমরা আশাবাদী।’ বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0