default-image

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটককে বলা হয় জ্ঞানের প্রবেশদ্বার। বাইশ মাইলে নির্মিত এ ফটকে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পেছনে যাদের অবদান। ফটক দিয়ে প্রবেশের আগে দেশপ্রেমীদের নজর কাড়বে এর স্থাপত্যশৈলী। গবির আরেকটি ফটকে দেশের বরেণ্য ১১ জন নারীর ছবি স্থান পেয়েছে। বেসরকারি এ শিক্ষাঙ্গনে রয়েছে আলাদা একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ভর্তি কার্যালয়, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়া৷ এ ছাড়া রয়েছে দুটি সুবিশাল খেলার মাঠ, বাস্কেটবল কোর্ট, টেনিস কোর্ট। বর্তমানে ৪টি অনুষদে ১৪টি বিভাগে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।

শিক্ষাঙ্গনে রয়েছে শিক্ষার্থী পরিচালিত মোট ১৮টি সংগঠন। এর মধ্যে ছাত্র সংসদ, সাধারণ ছাত্র পরিষদ, ডিবেটিং সোসাইটি, অগ্নিসেতু, শুভ সংঘ, বৃন্ত, সাংবাদিক সমিতি, ফটোগ্রাফিক সোসাইটিসহ রক্তদানকারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অন্যতম। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সহশিক্ষা কার্যক্রমে প্রাণবন্ত থাকে নব্বই দশকের এই বিশ্ববিদ্যালয়।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘জ্ঞান আহরণ ও বিতরণের গৌরবগাথা নিয়ে ২৫ বর্ষে পা রাখছে আমাদের প্রাণপ্রিয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কোভিড-১৯ আক্রান্ত পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, শিক্ষার্থী উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে।’

সংস্কৃতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন