বিজ্ঞাপন

অন্যদের মধ্যে সহসভাপতি পদে আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রাঙামাটি) এবং জোহরা খাতুন (সহকারী জজ, যশোর), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মো. শরীফুল ইসলাম খান (সহকারী জজ, শেরপুর) এবং কাজী ফখরুল আবেদীন (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, গাইবান্ধা), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. আশিকুর রহমান (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কিশোরগঞ্জ), কোষাধ্যক্ষ পদে আনোয়ারুল কবির (সহকারী জজ, সুনামগঞ্জ) এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক পদে তন্ময় গাইন (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বাগেরহাট) নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক পদে শোভন শাহরিয়ার (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কলাপাড়া, পটুয়াখালী), আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে সুমাইয়া রিজভী (সহকারী জজ, ভোলা), সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে নাহিদ রহমান শরীফ ওরফে ঊর্মি (সহকারী জজ, সিরাজগঞ্জ) এবং প্রচার ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে হবিগঞ্জের সহকারী জজ স্মরণিকা পাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ১৩টি বিভিন্ন পদে মোট ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং সব সদস্য তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার (সহকারী জজ) মো. আবদুল ওয়াহাব। অন্য কমিশনাররা হলেন মো. ইমরান মোল্লা (সহকারী জজ, বাগেরহাট), মাহবুবুর রহমান (সহকারী জজ, টাঙ্গাইল), মোসলেম উদ্দিন খান (সহকারী জজ, কুড়িগ্রাম) ও মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নেত্রকোনা)। নির্বাচন কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি ৬৩টি জেলায় সংশ্লিষ্ট সদস্যদের কাছে গোপন ব্যালট পাঠায়, যা ২০ তারিখ ফেরত আসে।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন