default-image

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে রানবাংলা ইন্টারন্যাশনাল পৃথিবীব্যাপী একটি দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। এতে ৬ মহাদেশের ২৭টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৩০০ প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। এবারের রেইসের মূল প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য দৌড়’। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১০ কিলোমিটার, ৫ কিলোমিটার, ১ কিলোমিটার ও ৫০০ মিটার দূরত্বের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দৌড়ের আয়োজন করা হয়। করোনার কারণে রেসটি ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজন করা হয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ নির্দেশিত রানিং এপ্লিকেশন ব্যবহার করে এই রেসে অংশ নিতে পারছেন। রেস শুরু হয়েছে ২৬ মার্চ ভোরে এবং শেষ হয়েছে ২৯ মার্চ। প্রতিযোগীরা এ সময়ের মধ্যে নিজেদের দৌড় শেষ করে সেই রানিং ডেটা শেয়ার করবেন।

default-image


এই প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক রেসে শিশুদের জন্য একটি এক কিলোমিটার দৌড় ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে। ১ বছর ৯ মাস থেকে শুরু করে ১২ বছরের মধ্যে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে রেসে সক্রিয় অংশ নিয়েছে। আয়োজনে একটি বিশেষ ক্যাটাগরির নাম ওয়ারিয়র। এই ক্যাটাগরির অধীনে অংশ নিয়েছেন মোট ৪৯ জন বিশেষ বন্ধু। তাঁদের মধ্যে ৩০ প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি) সাভার থেকে। বাকি ১৯ প্রতিযোগী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। গত ২৭ মার্চ সিলেটের গ্রিন ডিজঅ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের অধীন একটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্কুলের শিশু এবং অন্যান্য সদস্য এ ইভেন্টে অংশ নেয়, যার সার্বিক পরিচালনা করেন সিলেট রানার্স কমিউনিটি এবং রানবাংলা রেস অ্যাম্বাসেডর ডা. ওরাকাতুল জান্নাত।

বিজ্ঞাপন
default-image

সিআরপি, সাভার থেকে রেসে অংশ নেওয়া ৩০ প্রতিযোগীর মধ্যে নারী ও পুরুষ প্রতিযোগীর সংখ্যার সমতা বজায় রাখা হয়। সিআরপি বাস্কেটবল মাঠে অনুষ্ঠিত এ রেসে সব প্রতিযোগী খুব আনন্দ নিয়ে অংশ নেয় এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের হুইলচেয়ারে দৌড় সম্পন্ন করেন। এতে মেল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন কাজী বেলাল এবং রানার্সআপ সৌরভ। মহিলা ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন শাকিলা ও রানার্সআপ কামরুন্নাহার শম্পা। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন রাজীব হোসেন, রেস ডিরেক্টর, রানবাংলা ইন্টারন্যাশনাল ১০ কিলোমিটার ২০২১ এবং টিম রানবাংলা। অনুষ্ঠানে রিফ্রেশমেন্ট পার্টনার ছিল গ্লোরিয়া জিন্স কফি বাংলাদেশ। প্রতিযোগীদের রেস শেষে আইসক্রিম সরবরাহ করে এ রেসের আইসক্রিম পার্টনার ব্লুপ আইসক্রিম।

default-image

পরিশেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিআরপি সাভারের পক্ষে শাহনাজ সুলতানা, ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রামস; মো. সেলিম রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, রিহ্যাবিলিটেশন উইং এবং চিফ অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সিআরপি। রানবাংলার পক্ষ থেকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেদী হাসান অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন।
রানবাংলার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেদী হাসান আশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে মূলধারার বড় দৌড়ের প্রতিযোগিতায়, হুইলচেয়ার প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিতকরণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণে রানবাংলার সক্রিয় প্রচেষ্টা থাকবে। বিজ্ঞপ্তি

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন