বিজ্ঞাপন

১. বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ।
২. ভারত থেকে আগত জনগণকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন।
৩. যাঁদের মধ্যে করোনা শনাক্ত হবে, তাঁদের হাসপাতালে আইসোলেশন ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা প্রদান এবং করোনা টেস্ট নেগেটিভ হওয়ার পর ছাড়পত্র প্রদান।
৪. পর্যাপ্তসংখ্যক হাসপাতাল ও রোগীর বেড বৃদ্ধিকরণ।
৫. ভারতে যেহেতু অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে, সে জন্য সরকার দ্রুত অক্সিজেন উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।
৬. চিকিৎসাসেবা বিকেন্দ্রীকরণ, অর্থাৎ বিভাগীয়, জেলা, এমনকি উপজেলা পর্যায়ে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।
৭. মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

৮. শহর বা গ্রামে বাইরের লোকজনের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে এবং প্রয়োজনে গৃহে প্রবেশের আগেই সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দ্বারা হাত পরিষ্কার করতে হবে। বাইরের লোকদের সামনে মাস্ক ছাড়া যাওয়া বা কথা বলা যাবে না।
৯. জনসমাগম বন্ধ করতে হবে। ঈদের জামাত, মসজিদ ও বাজারে সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক এবং অমান্যকারীদের জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।
১০. ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে। কক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবহার সীমিত করতে হবে, যেহেতু বদ্ধ পরিবেশ করোনা সংক্রমণের সহায়ক।
১১. পর্যাপ্ত টিকা সংগ্রহ করে সব ঝুঁকিপূর্ণ জনগণকে টিকা প্রদান করতে হবে।

* লেখক: অধ্যাপক ডা. এম এস এ মনসুর আহমদ, ইপিডেমিওলজিস্ট ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, সাবেক উপদেষ্টা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন