বিজ্ঞাপন

ব্লাস্ট রোগ কী এবং ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে কৃষকের করণীয় জানতে চাইলে রুহিয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, ছত্রাকজনিত ব্লাস্ট রোগ তিন ধরনের; পাতা ব্লাস্ট, গিট ব্লাস্ট এবং নেক বা শীষ ব্লাস্ট। তন্মধ্যে নেক ব্লাস্ট রোগটি সবচেয়ে ক্ষতিকর যা শীষ অবস্থায় আক্রমণ করে এবং এতে শীষ সাদা ও দানা অপুষ্ট হয়। রাতে ঠান্ডা, দিনে গরম, কুয়াশাছন্ন আবহাওয়া, শিশিরভেজা সকাল, ঘন করে চারা লাগানো, পটাশ সারের কম ব্যবহার এবং ইউরিয়া সারের অধিক ব্যবহার ব্লাস্ট হওয়ায় অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, ব্লাস্ট প্রতিরোধে ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠক, দলীয় সভা, কৃষক প্রশিক্ষণ, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং কৃষকের মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে ব্লাস্ট প্রতিরোধে কৃষকদের সচেতনতা ও আগাম পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও জানান, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে ট্রাইসাই কাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন- ট্রুপার, বির, জিল প্রতি লিটার পানিতে ০.৮ গ্রাম অথবা টেবুকোনাজল ট্রইফ্লু ট্রোবিনজাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন ব্লাস্টিন, নিউভো, নাটিভো, প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম হারে বিকেলবেলায় স্প্রে করতে হবে। এ ছাড়া যেসব জমির ধান নেক/ শীষ ব্লাস্টে আক্রান্ত হয়নি অথচ এলাকায় রোগের অনুকূল আবহাওয়া বিরাজমান, সেখানকার ধানের জমিতে রোগ হোক বা না হোক, ধানের শীষ বের হওয়ার আগমুহূর্তে উল্লেখিত অনুমোদিত ছত্রাকনাশক নির্দিষ্ট মাত্রায় পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে শেষ বিকেলে পাঁচ-সাত দিন অন্তর দুইবার প্রয়োগ করতে হবে।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন