বিজ্ঞাপন
default-image

পথের পাঠাগারের একজন নিয়মিত পাঠক মেরিনা আক্তার মৌলি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো উদ্যোগ। চলার পথে ব্যতিক্রমী এই পাঠাগার দেখে আমরা সবাই নতুন করে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ হচ্ছি। যান্ত্রিক জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও বই পড়ার জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় বের করার চেষ্টা করছি।’

হৃদয়ে সৈয়দপুরের পথের পাঠাগারের আরেক পাঠক মুন্না সরকার জানান, ‘পথচারীদের জন্য গড়ে ওঠা এই পাঠাগারকে আগলে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। এ কারণে আমি নিজের সংগ্রহে থাকা কিছু বই পথের পাঠাগারে দিয়েছি।’

পথের পাঠাগারের প্রধান উদ্যোক্তা হৃদয়ে সৈয়দপুর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সোহেল রানা বলেন, ‘প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় স্মার্টফোন এখন হাতে হাতে। বর্তমানে সবাই ব্যস্ত ইন্টারনেট–দুনিয়ায়। আগের মতো বই পড়ার অভ্যাস এখন কজনেরই–বা আছে। এ জন্য পথের মধ্যে উন্মুক্ত পাঠাগার গড়ে তুলে সবাইকে বই পড়তে উৎসাহিত করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।’

*লেখক: শিক্ষার্থী

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন