বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দীপু মনি বলেন, ‘গতানুগতিক অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের কারণে দেশে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, যা মোটেও কাম্য নয়। তাই কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার চাই। যেন তারা দেশে-বিদেশে কর্মের সুযোগ পায়। আমাদের জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। দেশের জনসংখ্যা সমস্যা নয়, সম্পদের পরিণত হবে।’

default-image

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে মানসম্মত অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফাই সদস্যদের ভূমিকা রয়েছে। এ জন্য আমরা এসিসিএ কোয়ালিফাইডদের অনার্স মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং বিশ্বব্যাংকের এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও দক্ষিণ এশীয় টিম লিডার টি এম আসাদুজ্জামান। গেস্ট অব অনার হিসেবে ছিলেন সামিট কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এসিসিএ সব সময় বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার পাশাপাশি অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স পেশাদারদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে নবীনদের তাঁদের কর্মক্ষেত্রে নৈতিক মানদণ্ড, পেশাদারি মনোভাব বজায় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন