বিজ্ঞাপন

পরীক্ষার আগমুহূর্তে এসে এমন একটি সিদ্ধান্ত একান্তই বৈষম্য ও শিক্ষাজুলুম। যেখানে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডি’ ইউনিট বাতিল করবে বলেছে এবং তারা এক বছর আগে নোটিশে বলেছে যে আগামী বছর ‘ডি’ ইউনিট থাকবে না। তবে আপনারা গুচ্ছতে থাকা ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন তাদের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারল না? আপনারা শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কেমন সুযোগ-সুবিধা? গুচ্ছতে পরীক্ষা নিলে একটি পরীক্ষা হবে তাতে যাতায়াত কমবে, খরচ কমবে। কিন্তু অসুবিধা যে মৃত্যু রেখেছেন, সেটা কি তারা জানে না? যেখানে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে আমরা এক লাখের বেশি সেকেন্ড টাইমার বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান পড়ছি, তারা কী করে করোনাকালে, সংকটময় মুহূর্তে নতুন করে নিজ নিজ ইউনিট বিজ্ঞান, বাণিজ্যের জন্য এই দু-তিন মাস সময়ে প্রস্তুতি নেব? এটা অসম্ভব।

মা-বাবা পারবে না নতুন করে বই কিনে দিতে, পারবে না টিউটর দিয়ে পড়িয়ে পাবলিকের স্বপ্ন দেখাতে। তবে কেন আপনারা মনগড়া এমন একটি অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিলেন? কেন এমন হলো, আমরা শিক্ষার্থীরা এর উপযুক্ত জবাব চাই। আমরা এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট থাকবে। কিন্তু গত ১৯ ডিসেম্বর জানানো হলো, বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট থাকবে না। ২০ ডিসেম্বর থেকে আমরা দেশের সিংহভাগ জেলায় বিক্ষোভ করেছি। ঢাকায় দুবার আন্দোলন, মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ করেছি। কিন্তু আমাদের শিক্ষকেরা কোনো কর্ণপাত করেনি। এমন একটি শিক্ষাজুলুমের অবসান ঘটিয়ে শিক্ষা নামক মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

  • শিক্ষার্থী, মো. রাসেল মাহমুদ

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন