বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তেমনি মাহে রমজানের নবম দিনে ঢাকা কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের (একাডেমি-৪৬ ব্যাচ) হুটহাট ইফতার আয়োজন করা ছিল একটি প্রাণবন্ত মুহূর্ত। শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ নয়; ঢাকা কলেজের অন্যান্য বিভাগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এমন আয়োজন করে থাকে। বলতে গেলে, এমন আয়োজনে আমাদের শত বিষণ্নতা বিলীন হয়ে যায়, ফিরে আসে আনন্দের কোলাহল। গড়ে উঠে একতার মেলবন্ধন। যেই বন্ধনে নেই কোনো ভেদাভেদ, আছে শুধু সম্প্রীতির বন্ধন। এই কথাটি বলার অর্থ হলো, আমাদের এই আয়োজনে অন্য ধর্মের বন্ধুরাও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। একসঙ্গে বসে ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছে।

সবুজ বিস্তৃত মাঠে ইফতারের আগমুহূর্তে বন্ধুদের মধ্যে কেউ ব্যস্ত গল্পে বা আড্ডায়। আবার কেউ কেউ ব্যস্ত ইফতারের নানা আয়োজনে। তখন নিজের কাছে সত্যি মনে হচ্ছে সারা দিনের ক্লান্তি আর নেই। মনে হয় যেন আমাদের মনের আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলছি। মসজিদে মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনি শুনে খোলা আকাশের নিচে ইফতার করার ধুম পড়ে যায়। ইফতার শুরুর পর ক্ষণিকের মধ্যে অন্তর শীতল হয়ে যায়, আত্মতৃপ্তি অনুভব করি। সময় তার আপন গতিতে চলে যায়, রেখে যায় আমাদের কাটানো স্মৃতিবিজড়িত সময়গুলো। যে স্মৃতি আমাদেরকে অতীত স্মরণ করিয়ে দেয়।

এমন সময় বারবার ফিরে আসুক আর গড়ে উঠুক আমাদের একতার মেলবন্ধন।
ইফতারে অংশ নেওয়া ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী প্রসেনজিৎ কুমার রোহিত বলেন, ‘মাহে রমজান ঘিরে প্রতিবছর ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে একরকমের উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করে থাকে। সেই উৎসাহ-উদ্দীপনা থেকেই আমার বন্ধুরা মিলে কলেজ মাঠে ইফতারের আয়োজন করে। এই আয়োজনে মুসলিম শিক্ষার্থী ছাড়া অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত হওয়ায় পরিবেশটা আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠে। যা আমাকে সত্যি মুগ্ধ করেছে এবং সত্যি আমার জীবনের প্রথম এমন আনন্দ মুহূর্ত উপভোগ করলাম। আর এভাবেই আমাদের দেশে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।’

লেখক: মু. সায়েম আহমাদ, শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন