বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেড় বছর হলো এই বাচ্চারা ঘরবন্দী। করোনার কারণে তাদের এই বন্দীদশা। সরকার ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে। তারা বন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে, তবে শারীরিক মুক্তি হলেও নাক-মুখ খোলার মুক্তি এখনো মেলেনি। আমাদের মতো স্কুলের বাচ্চাদের মুখেও মাস্ক। দূরবর্তী অঞ্চলের স্কুলের বাচ্চাদের স্বাস্থ্যসচেতনতার এই দৃশ্য দেখে ভালো লাগে।

বাচ্চাদের নিয়ে একসঙ্গে ছবি তুলি। কয়েক মাস বৃষ্টির পানি খাওয়া রাস্তার দুই পাশের অতি সবুজ গাছগুলো সকালের রোদে চক চক করছে। ছবি তোলার পর বাচ্চাদের মাথায় হাত বুলিয়ে বিদায় নিয়ে গাড়িতে এসে বসি। গাড়ি আবার চলতে শুরু করে। কিছুক্ষণ আগে স্কুলের বাচ্চাদের সঙ্গে তোলা ছবি মুঠোফোনের পর্দায় দেখতে দেখতে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাই।

লেখক: ডিআইজি, সিলেট রেঞ্জ।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন