বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্ট্রি ও গবেষক মফিদুল হক বলেন, ‘দিনটি যেমন বেদনার, তেমনি গর্বেরও। এই বিশেষ দিনটির একটি তাৎপর্য আছে। এই বইয়ের মানুষগুলোর নাম–পরিচয় তো মানুষ জানতো না। এই কাজের মাধ্যমে তা সজীবতা পাবে।’

কবি টোকন ঠাকুর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ একটি জনযুদ্ধ। এই জনযুদ্ধের ইতিহাস ৫০ বছরেও লেখা হলো না। ভবেরচরের মতো সারা দেশের গণহত্যাগুলো নিয়ে এমন বই করার আরও উদ্যোগ নিতে হবে।’

আলোচনায় আরও অংশ নেন শাহীন আহমেদ তনু, নাদিরা সাবরীন, সাধিকা সৃজনী তানিয়া প্রমুখ।

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নৃশংস গণহত্যা চালায়। ঘাতকের দল বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে ৯ কিশোরসহ ১১ জনকে হত্যা করে। এই নিষ্ঠুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা ‘গণহত্যার গহন গল্প: প্রসঙ্গ ভবেরচর’।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন