বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার ছাড়া পুরোনো সব দলগুলোর ক্রিকেটার, এমনকি হালের জনপ্রিয় আফগানিস্তানের বহু ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছে সফলতার সঙ্গে। উইন্ডিজ, আফগানিস্তান, ইংল্যান্ডসহ বহু দেশের ক্রিকেটাররা জাতীয় দলে খেলার আগেই দেশি-বিদেশি লিগগুলোতে খেলে পরিপক্ব হচ্ছেন। লিগ খেলে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছেন সেসব ক্রিকেটাররা। সেই সঙ্গে বড় বড় ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলার সুবাদে খেলায় উন্নতিসাধনের মাধ্যমে দেশের হয়ে পারফর্ম করছেন দারুণভাবে। ঠিক এই জায়গাতেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চাইলেই দেশীয় ক্রিকেটারদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আগ্রহী করে তোলার জন্য নিয়মিত একাধিক টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজন করা এবং টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য তাঁদের পর্যাপ্ত সুযোগ–সুবিধা দিয়ে গড়ে তোলার মাধ্যমে ভিনদেশি লিগে খেলার উপযোগী করে তুলতে পারেন। অর্থ উপার্জন ছাড়াও পারফম্যান্সের উন্নতির মাধ্যমে দেশের ক্রিকেটে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারবেন সেসব ক্রিকেটাররা।

যেহেতু বাংলাদেশ ক্রিকেটের মূল্য আছে বিশ্ব ক্রিকেটে। দেশের তরুণ-তরুণীরাও ঝুঁকছেন ক্রিকেটে এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আয়োজিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। ক্রিকেটারদেরও মাথায় রাখতে হবে যে পেশাদার ক্রিকেটে জাতীয় দলই শেষ কথা নয়। নিজেকে এমনভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে যে স্বীকৃত ক্রিকেটে যেখানেই সুযোগ হবে এবং সুযোগ আসবে, সেখানেই যেন খেলতে পারেন। বিশেষ করে বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে খেলার জন্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সামর্থ্য আছে, এমন ক্রিকেটারদের নিজেদের খেলার উন্নতির জন্য সর্বদা চেষ্টা করতে হবে। জাতীয় দলই শেষ কথা নয় এবং জাতীয় দল ছাড়াও বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ আছে এখন, এমন মানসিকতা তৈরি করতে হবে। সেই সঙ্গে ক্রিকেটাররা যেন ভিনদেশি লিগে খেলার মতো নিজেদের গড়ে তুলতে পারেন এবং ভিনদেশি লিগে খেলার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন ও খেলার উন্নতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও ক্রিকেটে অবদান রাখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা বিসিবিসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরই করতে হবে।

*লেখক: শিক্ষার্থী

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন