বিজ্ঞাপন
default-image

ইতিমধ্যে দেশবরেণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ইস্যুতে দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ ও জোরালো প্রতিবাদ করেছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রোজিনা ইসলামের ওপর অমানবিক নির্যাতন, মামলা ও কারাগারে পাঠানোর খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে জাতিসংঘ নজর রাখছে বলে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন।

ইতিমধ্যে জাতি জেনে গেছে, রোজিনা ইসলামকে আক্রোশের বলি বানানো হয়েছে। কথিত নথি চুরির অপবাদ সৃষ্টি করা হয়েছে। নথি চুরির বিষয়টি যখন জাতির সামনে চলে আসে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সচিবের পিএসের কক্ষে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এ ছাড়া যেসব ধারায় মামলা করা হয়েছে, সেসব ঔপনিবেশিক যুগের ধারায় করা মামলা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ঘটনায় সারা দেশের সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন সাংবাদিকেরা। তা ছাড়া রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। আর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যাঁরা করেন, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।

আমরা বিশ্বাস করি, আইনি মোকাবিলার মাধ্যমে রোজিনা ইসলাম আমাদের মধ্যে ফিরে এসে আরও বেশি করে দুর্নীতিগ্রস্ত লোকদের মুখোশ উন্মোচিত করে জাতির সামনে উপস্থাপন করবেন। রোজিনারা বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকারের সহায়ক শক্তি হবেন।

*লেখক: মো. মুন্না মিয়া

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন