বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতী রানী, দিলখুলী, বিশো বালা, আশন্তীসহ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, তাঁরা প্রতিদিন কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে খনগাঁও ইউনিয়নে শ্রমিকের কাজ করতে যান। সারা দিন কাজ করে ১০০ টাকা মজুরি পান। নৌকা পারাপার হতেই তাঁদের ১০ টাকা দিতে হয়। এতে যেন তাঁদের দুঃখের পাশাপাশি দুর্ভোগের শেষ নেই। তাঁদের কষ্ট লাঘবে সেখানে দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।

লিটন চন্দ্র নামের একজন জানান, নদীর পূর্ব পাড়ের চপড়াবাড়ী গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনিই খনগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কাজ করতে যেতে হয় তাঁদের। নদী পারাপারের জন্য প্রতিদিন জনপ্রতি গুনতে হয় ১০ থেকে ১৫ টাকা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ অঞ্চলের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছি। জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হচ্ছে না।’

নৌকার মাঝি ফজলে রাব্বি বলেন, ‘নদী পারাপারের জন্য ঘাটটি লিজ নিয়েছি। এ থেকে প্রতিদিন ভালোই আয় হয়। তবে মানুষের খুব কষ্ট হয় এভাবে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে। এখানে সেতু হোক এটা আমারও দাবি। তাহলে আর দুর্ভোগ থাকবে না।’

default-image

কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা জানান, রামদেবপুর-কোষাডাঙ্গীপাড়া এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সাংসদসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে পরের ধাপে চোপড়াবাড়ী-শালগড়া এলাকায় সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাগরিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন