বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতার আগে থেকেই এ দেশে বাসে হাফ ভাড়া চালু রয়েছে। আইনগতভাবে হাফ ভাড়ার বিষয়টির কোনো ভিত্তি না থাকলেও ঢাকার গণপরিবহনে এটি একটি চিরায়ত প্রথা। যদিও বাসমালিকেরা সেই প্রথা মানতে চান না। বাসের বাইরে বা ভেতরে লিখে রাখেন ‘হাফ পাস’ নেই।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আইনগত ভিত্তি না থাকলেও হাফ ভাড়া শিক্ষার্থীদের অধিকার। পাকিস্তান শাসনামলে আন্দোলন করেই সেই অধিকার আদায় করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় সরকারপক্ষ থেকে আলোচনা হলেও কোনো আইন করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ছাত্রদের দাবির মধ্যে হাফ পাস ভাড়ার কথাটি উল্লেখ থাকলেও এটি কার্যকরে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি, যার কারণে এটি আবারও সামনে এসেছে।

আমি মনে করি, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসা ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে গমনে হাফ পাস ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়াটা সমীচীন হবে। পাশাপাশি চালক-সহকারীর জীবন–জীবিকাও যেন স্বাভাবিক থাকে, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নিতে হবে। দৈনিক না করে মাসিক বেতনের ভিত্তিতে গণপরিবহনে চালক–সহকারী নিয়োগ করা যায়। সেটা হলে ভাড়া আদায়ে তর্কবিতর্ক কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যাবে বলে মনে করেন অনেকে। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ও ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে হাফ পাস ভাড়ার বিষয়ে গ্রহণযোগ্য একটি সমাধান খুঁজে বের করতে সরকার ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।


★ লেখক: শিক্ষক ও কলামিস্ট

পাঠক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন