বিজ্ঞাপন

এসব বিচ্ছিন্ন আন্দোলন ছাড়াও ধরিত্রী বাঁচাতে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও স্বতন্ত্র সত্তা হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই কিছু নৈতিক কর্তব্যবোধের জায়গা থেকে যায়। এ জায়গা থেকে আমরা কে কতটুকু দায়িত্ব পালন করছি, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

প্রকৃতির অন্যান্য উপাদানের মতো আমরা মানবজাতি একটি স্বতন্ত্র উপাদান। তাই মানুষ হিসেবে আমাদের উচিত হবে না প্রকৃতির অন্যান্য উপাদান, যেমন: অন্য প্রাণী, বৃক্ষরাজি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র বালুকণা পর্যন্ত কোনো উপাদানকে নিজেদের সীমিত প্রয়োজনের বাইরে বিলাসী জীবনযাপনের জন্য নির্বিচারে ব্যবহার করা। আমাদের উচিত প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানকে সম্মান করা। যেহেতু জীবন ধারণে আমাদের পরিবেশ-প্রকৃতির অন্যান্য উপাদানের ওপর নির্ভর করতে হয়, সেহেতু প্রকৃতিকে রক্ষা করা আমাদের নিজেদের জীবন রক্ষার সঙ্গেই সমানুপাতিক। তাই আমাদের উচিত হবে আরও সচেতন হওয়া। অন্তত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিপর্যয়মুক্ত পৃথিবী রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধের স্থান থেকে আজকের ধরিত্রী দিবসের শপথ হোক—প্রকৃতিকে বাঁচানোর মধ্য দিয়ে মানব–অস্তিত্বের সংকটকে উত্তরণ।

*লেখক: স্মৃতি শারমিন জলি, পিএইচডি গবেষক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

**যে কেউ লেখা [email protected]–এ পাঠাতে পারেন।

পাঠক কথা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন