বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যে কথা উঠেছে শিল্পকারখানা খোলা কেন? আগেই বলেছি আমাদের অর্থনীতি মোটেই সেই পরিমাণ মজবুত নয়। অর্থনীতি ঠিক রাখতে এবং সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র মানুষগুলোর খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এর চেয়ে ভালো উপায় আর কী হতে পারে? তা ছাড়া কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে খাবারের দোকানের ব্যবসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা করে থাকেন। এগুলো খোলা রাখাও তাই ভালো হয়েছে। এখানে একটা বিরাট সংখ্যার মানুষ উপকৃত হবে। কাঁচাবাজার খোলা রাখায় গ্রামের কৃষিপণ্য বিক্রি করেও মানুষ খাবার সংস্থান করতে পারবে। তাই গ্রামের মানুষের কোনো সমস্যা হবে না।

তবে লকডাউনে কিছু মানুষের আর্থিক অবস্থা নিয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। আমার দৃষ্টিতে খারাপ অবস্থা হবে প্রাইভেট চাকরিজীবী মানুষের। বেসরকারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সব মাঝারি প্রাইভেট চাকরিজীবী মানুষের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক হচ্ছে। পেট চালাতে পারবে না রিকশাচালক থেকে শুরু করে বস্তিবাসী। তাদের কথা সরকারকে অবশ্যই ভাবতে হবে। তা না হলে তারা রাস্তায় বের হয়ে গেলে অবাক হব না। শহরের দিনমজুর মানুষের খাবারের ব্যবস্থা সরকারকে করতেই হবে।

পরিশেষে বলব, করোনাভাইরাস মোকাবিলা এখন বিশ্বের কাছে একটা যুদ্ধের মতো। এই যুদ্ধে কিছু সাময়িক অসুবিধা হবে, এটাই স্বাভাবিক। কষ্ট হলেও এই অসুবিধাটুকু আমাদের মেনে নিতে হবে।

লেখক: ড. মো. ফজলুল করিম, সহযোগী অধ্যাপক, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ। ভূতপূর্ব ফ্যাকাল্টি, কুমামতো বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান এবং পোস্টডক্টরাল ফেলো, পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র

পাঠক কথা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন