default-image

এবারের শীতকালটা অন্য বছরগুলোর তুলনায় দীর্ঘ ছিল। যাব যাব করেও এখনো না যাওয়ায় বারবারই ভাঁজ করা কম্বলটা আলমারিতে তুলতে পারেননি অনেকেই। এখনও হুট করে শেষ রাতে বেশ ঠান্ডায় কেঁপে উঠছেন। এরই মধ্যে দখিনা হাওয়ায় মনটাও কি একটু উদাস হয়ে একা বসে থাকতে চাইছে? এই আসা-যাওয়ার মধ্যেই শীতের নাচন বন্ধ না হতেই এবার ক্যালেন্ডারের পাতায় বসন্ত চলে এসেছে। আর ক্যালেন্ডার বদলানোর সঙ্গেই কুয়াশা ঢাকা সকালগুলো অবগুণ্ঠন খুলে ঝলমলে হয়ে ধরা দিচ্ছে যেন। হরেক রকম ফুল, মাঝদুপুরের ঝুপ করে চুপ রোদ কথা রেখেছে। আজ বসন্তের শুরু। ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় আজ বসন্তের হওয়া লেগেছে।

বিজ্ঞাপন

এসেছে হৃদয়জাগানো ফাগুন। ফাগুনের মোহনায় আজ আগুন রঙে বসন্ত। ফুল ফুটুক আর না–ই ফুটুক, আজ বসন্ত। তিনি যে আসবেন, আসছেন— তার আভাস বেশ কিছুদিন হলো প্রকৃতি জানান দিয়ে যাচ্ছে। মাঘের শেষ বেলায় এসে তাই শীতল হাওয়ার পাশাপাশি খানিকটা বাসন্তি উষ্ণতাও টের পাওয়া যাচ্ছে। শীতল হাওয়ার সাথে উষ্ণতার পরশ তাই যেন কানে চুপিচুপি এসে বলে যায়— দখিন দুয়ার খোলো, আমি আসছি।
বৈশ্বিক মহামারির কারণে থেমে গেছে ফাগুনের উৎসব। নেই বিগত বছরের আমেজ। দীর্ঘ ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ জন্য এবারের আয়োজন যেন অনলাইনমুখী। তাই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরব, নেই শিক্ষার্থীদের পদচারণাও।

*লেখক: মো. ফাহাদ বিন সাঈদ, শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ।

আয়োজন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন